কোনো একদিন ডানা মেলে দিও—
শঙ্খচিল, সাদা বক কিংবা প্রিয় মুনিয়া পাখি হয়ে।
শ্রান্ত উটের কাঁধে চোখ রেখে দেখো
অপেক্ষায় আছে, বিষণ্ন মৃতপ্রায় প্রাণ এক।সম্পূর্ণ

অনেক ছবি আঁকা হল
পৃথিবীর সমস্ত ভূমিক্ষয় মানুষের শরীরে
তা ও জানা হলো — আমি জানালাম না ক্ষুধার্ত শিশুর কথা !
নাটকের চরিত্রে প্রতিবাদ অবাঞ্চিত ঘটনা
বন্ধুশূন্য পথ সমস্ত জীর্ণতা মুছে দিয়ে উন্মুক্ত জীবন
কিছুটা পরিবর্তন কিছুটা অভিনয় কিছুটা সময়ের অবজ্ঞা ।
সম্পূর্ণ

চাই একটু নীরবতা
——– প্রতাপ মণ্ডল

কবিতা আসে, জোর করে লেখা যায় না কবিতা…

মাঝে মাঝে যখন আমার কাছে আসে না কবিতা,
তখন আমার অফুরন্ত সময়! ঘর গোছাই, বিছানা।
মাঝে মাঝে যখন আমার কাছে কবিতা আসে না,
আমি হিসেব করি এই জীবনের কত দেনা-পাওনা।

কুমড়োর মাচার ডাল-পালা গুলো ঠিক করে বাঁধি
গোলাপ গাছের শুকনো ডালগুলো ছেঁটে বাদ দিই
নির্জন কালো রাতে আকাশ পানে চেয়ে চেয়ে দেখি
দু-একফোঁটা চোখের জল সঙ্গোপনে মুছে নিই…..

মাঝে মাঝে যখন আমার কাছে কবিতা আসে না,
আমি স্মৃতির সরণি বেয়ে চলে যাই সুদূর অতীতে।
আমার শৈশবের সাথে কথা বলি, তার হাতটা ধরি
আমরা দু’জনে হাঁটি, মাটির সরান ধরে একসাথে।

কখনো আমার ঘরের জানলার পাশটিতে গিয়ে বসি
জানলার বাইরে কত সবুজ! একটা নীল আকাশ —
সবুজ পাতার ফাঁকে, দু-একটা নাম না জানা পাখি
আমার তখন কোনো কাজ থাকেনা, শুধুই অবকাশ।

ভাবি পাহাড়ে যাবো, নয়তো কোনো অরণ্যে যাপন
নির্জনতার মাঝে খুঁজে নেবো কবিতার জন্য কথা!
এই শহরটায় বড় কোলাহল, প্রাচীন ইঁটে গোপন ব্যথা
আমি এতো কোলাহল চাই না, চাই একটু নীরবতা।

কবিতা আসে, জোর করে লেখা যায় না কবিতা……সম্পূর্ণ

নিশির এমন পলায়ন খেলা শেষ হবে একদিন
​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ যেক্ষণে তুমি হৃদয়ে তোমার শুনিবে মৃত্যুবীন
ওপার জেনো ডাকিবে তোমায় সপিতে রাত্রিহাতে
​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ সেদিন ঠিকই রাত্রি তোমায় বাঁধিবে অন্তরাতেসম্পূর্ণ

ভালোবাসা নেই ভালোলাগা নেই
মৃত্যুদন্ড: এই নশ্বর পৃথিবীতে পুরোটাই তোমাকে চাওয়া
একবার যদি আমার আঁখিতে চোখ রাখতে তবে
অন্য কোথাও আর চোখ রাখতে পারতে না!
পুরোটা জীবন ধরে প্রান্তরে প্রান্তরে আমার দুটি চোখকেই খুঁজতে।
যদি তুমি একবার আমার চোখে চোখ রাখতে
তবে তুমি অন্য কারো চোখে চোখ রাখার স্বাধ থাকতো না।
সম্পূর্ণ