খুঁজ রে ভোলো! (গীতিকাব্য)
দমের তালে খুঁজ রে ভোলা কে তোর আপনজন! হেলায় জনম বৃথা যাবে হারবে শেষে পণসম্পূর্ণ
দমের তালে খুঁজ রে ভোলা কে তোর আপনজন! হেলায় জনম বৃথা যাবে হারবে শেষে পণসম্পূর্ণ
সহজে ভেবো না বান্ধব তারে ভীষণ দরদী সেজে, নিত্তি দিলেও বাড়ি বাড়ি যেয়ে যেচে ঘটিসম্পূর্ণ
ভাবতে ভাবতেই জীবন হলো শেষ! বলছো শুনে ভান্ডে কি ধন? পক্ক ক’টা কেশ। আরজি করেসম্পূর্ণ
পরশিরা কয় ঘন্টি বাবু অন্য রকম জ্ঞানী, আজ দেখি সে লিখছে খাতায় মাছি পোষা প্রাণী।সম্পূর্ণ
জীবনের ঘনঘোরে রেখেও পুতলি করে যে চোখে স্বপন ছিলো আজ ঝরে জল – ভালোবাসি বলেসম্পূর্ণ
বাকুম বাকুম ডাক শুনে তুই দৃষ্টি ছুঁড়ে আবডালে, হস্ত রেখে ডান গালে, বল তো ভোলাসম্পূর্ণ
বৃষ্টিস্নাত আষাঢ়ের বৈকাল পেলেই নদীর কিনারা ঘেঁসে ধেয়ে চলে দলছুট অম্বুদ সেজে ব্যাকুল এ মন,সম্পূর্ণ
কদম্ব গাছে ফুটে নি কি আজ হাজারে হাজারে ফুল? সখী, কেমনে বাঁধবো কুল! শুষ্ক এসম্পূর্ণ
সীমিত কথনে যাচলেও সবে ভেজানো মনের দ্বার, তবু নয় কোন ইনসান শুধু মন্দের সমাহার। বুঝেসম্পূর্ণ
সু কাজের ক্ষেতে যদি বাঁধা জেগে নিরবধি জ্ঞাতির হৃদয়ে হয় সুখে উল্লাসী, মনে হবে নিজসম্পূর্ণ
যতোই ভাবো ’যায়নি কি সুখ আমায় ছেড়ে কবেই!’ বাঁচতে হলে জোর করে হোক হাসতে তোমায়সম্পূর্ণ
হতেই পারি ধন বা জনে এই সমাজের বদ্ধমূল, কিংবা হতে যশ সুনামে সদ্য ফোটা গোলাপসম্পূর্ণ
এই ধরণী তোর তরে সই ধরবে মেলে সাচ্চা দিল, পর ও আপন দুইজনাতে যেদিন পাবিসম্পূর্ণ