মৃত্যু ও মানুষে বড়ো প্রেম
মৃত্যু ও মানুষে বড়ো প্রেম!
অথচ জীবনের সাথে আছে অনন্ত বিরহ।
এ যেনো জীবনের ভেতর মৃত্যু, মৃত্যুর ভেতর জীবন,
এ যেনো গোটা জগৎ-সংসারে নিষ্ঠুরতম সত্য ভীষণ।সম্পূর্ণ
মৃত্যু ও মানুষে বড়ো প্রেম!
অথচ জীবনের সাথে আছে অনন্ত বিরহ।
এ যেনো জীবনের ভেতর মৃত্যু, মৃত্যুর ভেতর জীবন,
এ যেনো গোটা জগৎ-সংসারে নিষ্ঠুরতম সত্য ভীষণ।সম্পূর্ণ
কবরের ‘পরে লাগিয়ে দিয়ো দু’দশটা গোলাপ চারা,
বিয়োগ ব্যথা কমতে কমতে ক্রমান্বয়ে বাড়বে তারা।
বাবুই চড়ুই ময়না শালিকরা হলেও খুঁজে নিবে তায়,
অজানা কোনো কবির কবর পড়ে আছে অবহেলায়।সম্পূর্ণ
আমি মানুষ চিনবো কেমনে বলো তো,
তারাও যে ঠিক দেখতে অবিকল মানুষেরই মতো!
আমি বেছে নিয়েছি মানুষের মাঝেই বেঁচে থাকার পথ,
হয়তো সীমাহীন কষ্টের অথৈ সাগর, দুঃখের মরু পর্বত।সম্পূর্ণ
আমি ঢ়লে পড়া বিকেলে দীপ্ত আগুন আলোয়-
হাটতে হাটতে ছায়ার সঙ্গে নৃত্য করি।
আমি আগুন পোড়া ডুবন্ত সূর্যের চোখে চোখ-
রাখতে রাখতেই প্রতিদিন মৃত্যুবরণ করি।সম্পূর্ণ
আমি কোনো কবি নই, কবিতার সখ্যতা।
এ কেবল অবিকল অভিনয় হৃদয় পাতা।
আমার নেই কোনো সুখ্যাত বিখ্যাত কবিতা,
কিম্বা নেই কোনো পাণ্ডুলিপি, কবিতার খাতা।
সম্পূর্ণ
ঘুমন্ত শান্ত মানুষকে কেনো,
ফেরেশতাদের চেয়েও যেনো,
দু’চারশো গুন বেশি নিষ্পাপ,
অধিক অত্যধিক পবিত্র লাগে!সম্পূর্ণ
দুঃখ আমার মৌলিক অধিকার! আমার সকাল-সন্ধ্যা-রাতের খোরাক, অতি স্বাভাবিক।
অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান-শিক্ষা-চিকিৎসা নিছকই কাল্পনিক, দুঃখরা নিগূঢ় নিরেট বাস্তবিক।সম্পূর্ণ
নিয়ত আমার সন্তানেরা নিচ্ছে কলুষিত দূষিত নিশ্বাস!
আকাশে বাতাসে, দেশে দেশে মজুত চলছে বিষগ্যাস।
বিবেককে বন্ধক রেখে বহুজাতিক কোম্পানির চুক্তিতে-
আমার সন্তানেরা হচ্ছে সুসজ্জ সলজ্জ সুখী গোলাম।সম্পূর্ণ
ঘুমিয়ে থাকা প্রজাপতির মতো আমি নিষ্পাপ,
সদ্য শিশুর গালের মতো কোমল আমার হৃদয়,
নিভু নিভু মোমের আলোর মতো দু’চোখে স্বপ্ন আমারসম্পূর্ণ
দুমড়ে মুচড়ে ভেঙে পড়ে অভ্যাসগুলো আজকাল।
হুড়মুড় শব্দে ধসে খসে পড়ে পোড়া হৃদয়ের কঙ্কাল।
সুখ প্রিয় অতিথি পাখিরাও দুঃখে ভেজায় চোয়াল।
হাসতে শিখেছি খুব, যাতে দুঃখরাও হয়ে যায় বেকুব।সম্পূর্ণ
এই নিঃসঙ্গতাকেই সঙ্গ করো, খুবই হাসিমুখ।
সে ভরাবে জীবন, আলিঙ্গনে ভরাবে এক বুক।সম্পূর্ণ
শত্রুরা জেগে রয়, নির্ঘুম, ব্যস্ততায়।
হয়তো পাহারা দেয় আমায়, দেক।
আমি কিছুটা ঘুমিয়ে নিই, বসন্তে।সম্পূর্ণ