নয়ন বুজে শুনি কর্ণকুহরে-
দূরে কী এক কুৎসিত বিশ্রী বাজে সুরে মৃত্যুর ফেরেশতা সাইরেন বাজায়!
সাজায় আমার মরণ কালের বরণডালা, ছন্দে ছন্দে, মনের আনন্দে।সম্পূর্ণ

ও হে রাজা,
ভাবছোটা কী!
দেখছো নাকি?
প্রজারা ঠিক কেমন আছে? কেমন করে খাচ্ছে ধাচ্ছে?
অনাহারী ফিরছে মানুষ, অশ্রু কেমন বাষ্প হয়ে ভাসছে!সম্পূর্ণ

অথবা আমি চোখ মুছে-মুছে তোমার সামনে গিয়ে দাঁড়াবো।
জানতে চাইবো- “কেমন আছো?” জবাব পাবো না জানি।
অথবা তুমিই জানতে চাইবে, আমি চুপ থেকে হেসে যাবো।
তো, দেখা হচ্ছে কাল অথবা পরশু।সম্পূর্ণ

পৃথিবী, আজ তোমার রহস্য বলো।
হৃদয় পোড়ার গন্ধ যদি নাই পাবে,
তবে কেমনে এতো বৃষ্টি বিলাবে!!
চারপাশে আঁধার, ঘনঘোর অন্ধকার।
মাঝখানে ফুটে আছে মৃত্যুর সম্ভার!সম্পূর্ণ

আমার চোখে জল নেমে আসে, ক্ষণক্ষণ।
টিপটিপ অথবা বিপুল বৃষ্টির অনন্ত শ্রাবণ।
আমার দৃষ্টির আঙিনায় ভেসে ওঠে-
একটা অন্ধকারাচ্ছন্ন অঞ্চল, ঘমঘম থমথম। সম্পূর্ণ