এভাবেই সবকিছুই শেষ করে দিতে পারি
ধুলো কিংবা বারুদের স্তূপের মতো
আবারও প্রচুর অভিমানী কল্পনা শূন্য হৃদয়ে জমে।
নক্ষত্র উপগ্রহের মাধ্যমে দিকভ্রান্ত পথিকের মন ভালো নেই – পোড়া ছাইয়ের গন্ধ চোখের জল পুলকিত হয় অন্তরের ব্যথার প্রবৃত্তি হৃদে।

সম্পূর্ণ

কে তুমি হরিণীর মতো হতে এসেছো
চিনিনি চিন্তিত বক্ষত্রের চিন্তাসূত্রে
একটা আস্ত মানুষ কেবলি পছন্দ করছে গাছের পাতা ঝরে যাওয়া
হেমন্তের শিশিরের শব্দের প্রহরীর মতো রূপভেদ তাঁর
হয়না নিস্তব্ধ তবুও শান্তশিষ্ট নিষ্পাপ মুখ ধুয়ে
আমি সোজা পথে হাঁটি অনেক।।
সম্পূর্ণ

একটি পূর্ণিমা রাতের হাতছানিতে সাড়া পাওয়া গেছে তাঁরে
আমি পারিনি বলতে তাঁরে
খুঁজতে খুঁজতে হতাশ হয়েছি অনন্তপুরী নৈকট্য
কি বা কাকে বলবো বিরহের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া
রাত্রির নিকটে নিস্তব্ধ ধোঁয়াশা জমে জমে ছাই হয়ে যায় হৃদয়।সম্পূর্ণ

রক্তের চক্র ধরে রক্তিম আমাদের চলার পথ
চোখের পাতা ভারী হয়ে উঠেছে বিদায়ের ঘন্টা বৃষ্টি ভেজা রাতে
আসেনি তারাদের নিস্তব্ধতা জুড়ে মৃত নক্ষত্র
অন্ধকার ঘরে শুধু জোনাকিদের আলো

আমি অনেক দূর। আকাশের প্রতিবিম্ব নিয়ে শুকনো গোলাপের পাপড়ির বেদনা লিখি নীলচে প্রহরে।
কেঁদেছি বহু রাত সাড়ে দিবসের বিনম্র বিশুদ্ধ হৃদয়ে
মনে পড়ে যায় বহু স্মৃতির অর্বাচীনের পাতাগুলো
বরং নমস্কার জানিয়ে দূরে রয়ে অদূর দূরে।সম্পূর্ণ

আমাদের পথ সুদূর থেকে দীর্ঘ প্রসারিত
কবে কার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উড়েছিল এই পৃথিবীর অভেদ্য জঠরে।
সভ্যতার বারুদে আমাদের আগুনের মহাযুদ্ধের ইতিহাস – চিনতে ভুল হয়না একটি সুন্দর ফুল যখন ফোটেনি তখন থেকে ঝরে যাওয়ার পরেরও মুহূর্তগুলো।সম্পূর্ণ

অজস্র জন্ম ধরে আমি এভাবেই হাঁটছি কিন্তু পৌঁছতে পাচ্ছি না তোমার সীমানার নিকটে
মৃত্যুর প্রত্যাশা নেই এই জীবনের অমরত্ব লাভের
সমস্ত কিছুই মায়া ছাড়া কিছুই নয়
চোখের বাহিরে গেলে ডাকবাক্সে জমা পড়ে হাজারো চিঠি কিন্তু সেগুলো দেখার মতো কেউ আর থাকে না
সবাই চিরঘুমে ঘুমিয়ে থাকে
যাদের উঠাবার সামর্থ্য আমার কাছে থাকে না।সম্পূর্ণ

মাথার উপর মানুষের সিঁড়ি দাঁড়িয়ে
মেঘ ছুঁতে চাই
রজনী পেরিয়ে আবার রজনী সুদীর্ঘ পথের অপেক্ষা
কার হৃদয়ে মহানায়িকা আমার কাছে ধ্রুববীর?
সন্ধ্যার আসন পেতে খাবি খায় কে নিদ্রায়!
কার হৃদয়ের পিনাকী মৃত নক্ষত্র হয়ে যায়
বটবৃক্ষের ফুলের মালা গেঁথে কারা নিয়ে আসে যাযাবরের রমনীদের, রাতের ঘুম উড়িয়ে। আমি উড়ো চিঠির পাতা লিখে যায়
কাকে বলবো, কে আছে আমার আপন জন!সম্পূর্ণ

এই শহরকে ভালো না বেসে যদি আমি চাঁদের মাটিকে ভালোবাসতাম তবে আমি নীল ডায়েরি না হয়ে নীল আর্মস্ট্রং হতাম।
হতাম না হয় কোনো এক ভবঘুরে
টিয়াপাখির ঠোঁটে চুমু খেয়ে আসতাম আবার এই শহরেই ফিরে।
বসন্ত পঞ্চমীর তিথিতে গোলাপের পাপড়ি দিয়ে অনুভব করতাম কিছু না পাওয়া স্মৃতি।সম্পূর্ণ

আজ রাতের ঝড়ে
আমার হৃদয় ভেঙে গেল
যা পরিমাপ করলাম ত্রিকোণমিতির সূত্রে
হৃদয় থেকে দূরের ওই মনুমেন্টের উচ্চতায়
বাইশ ডিগ্রী কোণ উৎপন্ন করে।।সম্পূর্ণ

তুর্কিস্থানের মাটিতে দেখেছি যবে তোমাকে
এই দুটি চোখে শুধুই মরীচিকার অন্ধকার
কখনও মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমরা দুজনে
সপাটে দূরে গেছি সরে
সমাধির নিচের মৃতদেহটিও বোধহয় এক ইঞ্চি জায়গা পরিবর্তন করলো এই কথাটি শুনে!সম্পূর্ণ

চোখের পাতা থেকে রাত্রি ঝরে গেছে
সমাধির চত্বরে : নীল হৃদয়ের সাদা পালকে ফ্রান্সের সিমতিয়ের দু পের লাশেজ হতে
ইতালির জেনোয়ার স্টাগ্লিনো সমাধিস্থল জুড়ে
এই দুটি স্থানের মধ্যে দূরত্ব যতটা
ঠিক ততটাই ব্যবধান আত্মার সাথে !
সমুদ্রের গর্জন খুব তীক্ষ্ণ সুরে বইছে
চলার পথে….সম্পূর্ণ

এই দিন চলে যায় ঈগলের চক্ষু ভেদ করে
মাথার উপর দিয়ে চিল উড়ে যায়
প্রচুর বেদনার ডানা ঝাপটিয়ে
তবুও বাঁচার আশা সফল হয়
এক পশলা বৃষ্টি এলে
কিংবা সোনালী রোদের চক্মকিতে।।

সম্পূর্ণ

কখনো সত্যের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে
কারো চোখের উপর চোখ রেখে
সমস্ত না জানা ভাষা তুলে ধরেছি
প্রেমিক- প্রেমিকাদের জন্য….
আমাদের বিচ্ছেদ ভালোবাসা
এই যে প্রতিটি সবুজ গাছের বেড়ে ওঠা
তবুও নীরবে কেউ কাঁদে আবার কেউ কাঁদতে পারে নাসম্পূর্ণ