কবিতা অজস্র জন্ম নিজের ঘাম ঝরিয়ে
স্বাধীন হতে চাই ঘুমের ভিতর।
টেলিফোন আবিস্কার হোক কিংবা উড়ো জাহাজ
আমরা নিজের বিরুদ্ধে হিংসার মামলায় গ্রেপ্তার
মৃত স্বর্গ আরাম কেদারায়।সম্পূর্ণ

নিষিদ্ধ অরণ্যে আমার প্রতিনিয়ত যাওয়া আসা ছায়ার গভীরে ঘুম নিশ্চিত জেনেও দৃঢ় সংকল্প হৃদয়ে
লিখে যায় আকুলতার ভাষা
আসেনি কেউ – অত্যন্ত ভেজা চোখ
নির্লিপ্ত কীটের ঘর ভেঙে যায়।
সম্পূর্ণ

নিজেকে ভালোবাসা দিলে
হারিয়ে যাওয়া মেঘের দুয়ারে ,তাঁকে ভয় পাওয়া নয়।
হাতের সভ্যতা বিবর্তন রেখা
বিষ দাঁত দমিয়ে রাখে
যাকে দগ্ধতা বলে , তা কিছু নয়
ভালোবাসা যাকে মৃত্যু দিতে পারে না
আগুন যাকে পোড়াতে পারে না
তেমন মানুষ কেউ থাকে না !
সম্পূর্ণ

জ্বলন্ত ঋতু আঙ্গুলের ঘ্রাণ
চোট খাওয়া ফুলের সুবাস রাজ্য আক্রমণ
উষ্ণপ্রহার সর্বনাশ
আয়োজন নয় মৃত্যুর নেপথ্যে নাচি।
কাগজের পিপাসা যুদ্ধ
ঠিকানাহীন কয়েকটি হলুদ পাখির ডানা ভাঙা ঢেউ
সবই ভবিতব্য পিরামিড স্তূপ
স্পর্ধার বিপরীতে কাজ করে।
সম্পূর্ণ

একসমুদ্র উদ্রেক প্রচন্ড উন্মাদ নগরী
সরীসৃপের জীবন আমাদের পরজীবী ভুল
ঠিকানা নেই আকাশ মরু সঞ্চালনে
পুরোটা জীবন সমুদ্র স্নানে ব্যস্ত।
এ পৃথিবী সমুদ্র স্বরূপ
সেখানে বেঁচে থাকাই আসল পরিচয়
বাকিরা মৃত প্রাণী বিপর্যস্ত উপাধি
সবচেয়ে ভুল বিলাসীতা জীবন।।সম্পূর্ণ

শত্রুর পদধূলিতে বেড়ে ওঠা জীবন
সভ্যতার অখিল পাথরে বারুদের স্তূপ
যুদ্ধের মানচিত্র গোলাবারুদ রাইফেল হয়ে ফোটে।
গতি হারানো নদীর মতো চলতে চলতে
পরশ পাথরে মানুষে মানুষে মোকাবিলা
পৃথিবীকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়ে।।

সম্পূর্ণ

অভাবে আমার ঘর জ্বলে পুড়ে ছাই তবে এ আগুন লাগা তো সে আগুন লাগা নয় !
এটা মানুষে মানুষে বিবেকের আগুন লাগার নাম বলে থাকে লোকে
এটাকেই অন্যভাবে বলে দগ্ধ হয়ে যাওয়া।

সম্পূর্ণ

উল্টো পথের মোড়ে জ্বলে যাওয়া বাড়িটার দিকে তাকালেই দেখি কয়েকটি কয়েকটি জীর্ণ কাঠ আধপোড়া পড়ে আছে মাটিতে
তাঁদের অন্তরে খুবই বিরহ ভরা যেমন বিরহ কেউ কারো প্রিয়জন দিয়ে থাকে ঠিক তেমন।।সম্পূর্ণ

হে ঈশ্বর নশ্বর মায়াজাল বুনে স্বপ্ন পূরণ করতে ভালোবাসার ঠিকানা হলদে জীবনসঙ্গী নির্বাচনে আহত হয়েছে প্রাণের টানে
অজস্র জন্ম ধরে রাখতে পারিনি তাঁকে ক্ষমা করে দিও সন্ধ্যা বেলায় পথের মোড়ে সামনাসামনি দেখা হওয়ার বেদনার সম্মুখে মতো।।

সম্পূর্ণ

বলা হয়নি পুরুষের হৃদয় কতটা প্রসারিত
সেখানে কতই সুন্দর ফসলের চাষ হয় বারোমাস
শুধুই মরীচিকার পেছনে ছুটতে ছুটতে বিরহ
অন্ধকারের শ্রেয়সীর সাথে যুক্ত।

অলিন্দ যুদ্ধ চোখের পাতায়
কাটেনি বহু রাত উদাসীন ভাবনায়
শুধু তোমাকে না দেখার অসুখ
আমাকে নিঃসঙ্গ করে দেয় অবিরত।সম্পূর্ণ

পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েও ভাবনা
বেঁচে থাকার মানে এক অন্য রকমেরই লাগে
তুমি দুঃখ দিয়েছো বলে ! আজও আমি বেঁচে থাকতে চেয়েছি
রোদ্দুর বেশান্ত অগ্নিশীল প্রলয়ের দাপটে মাঠের সব ফলস আমার হৃদয়ে আস্তানায় জমা হয়
দীর্ঘ জীবনের জন্যসম্পূর্ণ

নারিজাতির সৌভাগ্য রচিত বুকের পাঁজর এসরাজ নিয়মে বাঁধা
রূপসী বাংলা- বনানী ঘেরা সবুজ প্রান্তর পেরিয়ে
হলুদ বসন্তের ছোঁয়া লাগে হৃদয়ে।

বহুকাল পরে জানবে রাত্রির মায়ার কাহিনী
শুকিয়ে যাওয়া গোলাপ গাছের আত্মজীবনী স্বর্ণ-রেণুর মতো আত্মত্যাগ বীরত্ব সাহসিকতা নিয়ে চলে যাওয়া হৃদপিন্ডের কিরিকেট দূর।।সম্পূর্ণ

আমি মানুষ শুধু ধ্রুবকের নিয়মানুসারে
পিছে চলি অতীত পৃথিবীও আমার দৃঢ় লাগে বলে।
ভুলে গেলে চলবে না তবুও কৃষির উন্নতির মতো এগিয়ে গিয়ে বিরহের বিরুদ্ধে হেরফের এর মামলা দায়ের করে করে কেঁপে উঠি ভূমিকম্পের মতো।।সম্পূর্ণ