| কবিতা | জ্বালিয়ে দিয়েছি ঘৃণার চিতায় |
| কবি | হাসান মনজু |
| কাব্যগ্রন্থ | কে তুমি নন্দিনী / প্রিয়জন প্রকাশন |
| সময় | এপ্রিল ১৯৯৯ |
| উৎসর্গ | নন্দিনীকে |
| লিখার স্থান | মিরপুর ঢাকা |
| কবিতার বিষয় | প্রেম |
প্রিয় নন্দিনী,
জ্বালিয়ে দিয়েছি ঘৃণার চিতায়,
আমার প্রথম প্রেমের লাশ,
তবুও কী করে পতিটি কবিতায়,
ফাঁক ফোকরে তুই ঢুকে যাস?
বর্ষারা কি কনোদিনও শোনে
ঝলসে যাওয়া চৈত্রের কান্না?
কেন নীল হলো কার কারণে,
হৃদয়ের রঙে সবুজ হওয়া পান্না
নিত্য বিষাদ হয়ে জমে থাকিস,
নির্ঘুম একাকী রাতের প্রহরে,
সকাল সাঁঝে অস্ফুটে ডাকিস,
ভুলে যাওয়া সেই ডাকনাম ধরে
ছপছপে উঠোন, শীতল দাওয়া,
মেঘের কাছে আকাশ ধোয়া জল,
বাউল নাচে, নেচে ওঠে হাওয়া,
মেঘেদের নানা তাল বাহানা ছল
বসন্ত তোমার হৃদয় জুড়ে নাচে,
আমি তো তার আপন কেউ নই,
ভুলেও আসে না আমার কাছে,
জানি তোমরা দু'জন হরিহর সই
চোরাস্রোতের মতো বয়ে যাও,
বুকের ভেতর হাজার ফল্গুধারা,
দোরগোড়ায় ফের এসে দাঁড়াও,
বিদায় বেলায় বিষন্ন হাত নাড়া
কী করে যে অভিগমন পায়!
অচল স্থানুর মতো প্রতিটি প্রহর,
অনুপ্রবেশকারী সব কবিতায়,
মেয়েটির খোঁজে স্মৃতির শহর
নন্দিনী আমিও আজও খুঁজি,
শিউলিঝরা শিশির ভেজা ভোর,
আমার কঙ্কাল জীবনেও বুঝি,
জুড়ে থাকবি তুই, তোর হাঁড়গোড়
👣