তোমার কেউ আছে!
ইরাবতী তুমি বলছো তোমার কেউ নেই!অথচ তাকিয়ে দেখ,তোমার চোখে মায়ায় উড়ে যাচ্ছে সময়।তোমার নিস্তব্ধতায়,পুড়ে যাচ্ছেসম্পূর্ণ
ইরাবতী তুমি বলছো তোমার কেউ নেই!অথচ তাকিয়ে দেখ,তোমার চোখে মায়ায় উড়ে যাচ্ছে সময়।তোমার নিস্তব্ধতায়,পুড়ে যাচ্ছেসম্পূর্ণ
তোমার বিদ্রোহে, আমি বিদ্রোহী। তোমার কবিতায়, আমি কবি।তোমার উপন্যাসে, আমি ঔপন্যাসিক। তোমার সাধনায়, আমি সাধক।তোমারসম্পূর্ণ
‘মাছরাঙ্গা নয়, বরং ধান শালিককে ভালোবেসে দেখুন!’আড্ডার মাঝখানে এমন নির্দেশে আমরা কয়েকজন নড়েচড়ে বসলাম,নির্দেশদাতার দিকেসম্পূর্ণ
চলো দু’জনে হারিয়ে যাই বৃষ্টিমুখর কোনো সন্ধ্যায়,হাতে হাত ধরে দূরে বহুদূরেবৃষ্টির বিলাসী গান শুনেগায়ে মেখেসম্পূর্ণ
আমি জানি মেয়ে,তোমার রাত বিছানায়আর কবিতা থাকে না কোনো।তোমার শিৎকার জুড়ে থাকেনা কোনো প্রেম। আমিসম্পূর্ণ
নিস্তব্ধতা;দীর্ঘশ্বাসেরও শব্দ নেই, গাল বেয়ে পড়া দুর্বোধ্য দু’ফোটা অশ্রুরনির্ঝরতার শব্দ নেই, নিস্তব্ধতার কান্না!হৃদয়ের গহীন হতেসম্পূর্ণ
সঙ্গমান্তে ফরজ গোসল শেষে,যার কথা ভেবে দীর্ঘশ্বাস ফ্যালো তুমি,তার চোখে প্রেম ছিলো , প্রেম। তোমারসম্পূর্ণ
কিভাবে বলি বলুন তো!এভাবে কি বলা যায়?আপনাকে দেখলেই প্রেম পাচ্ছে খুব!বুকের মধ্যে ঢিপঢিপ শব্দ হচ্ছে,পানিসম্পূর্ণ
নারী তোমার শাড়ির উপরের উঁচু স্তনে হাত বুলাতে নয়,আমি ভালবাসি তোমার কোমল গালের স্পর্শকে।নারী তোমারসম্পূর্ণ
তুই কি আমার দুঃখ হ’বি?এই আমি এক উড়নচন্ডী আউলা বাউলরুখো চুলে পথের ধুলোচোখের নীচে কালোসম্পূর্ণ
ইতিহাস থেকে আমি ছুটে এসেছি-কেবল তোমার বর্তমান হবো বলে!আমাকে গ্রহণ করো নতজানু প্রেম,আমাকে বেঁধে নাওসম্পূর্ণ