অচিনপুরের চন্দ্রবিলাস
আমি মন্দিরা বাজাই তোমায় নিয়ে একা চাঁদের পাশেআমরা দুজন বসা মধ্যরাতে অচিনপুরের দেশে। দীঘির জলেসম্পূর্ণ
আমি মন্দিরা বাজাই তোমায় নিয়ে একা চাঁদের পাশেআমরা দুজন বসা মধ্যরাতে অচিনপুরের দেশে। দীঘির জলেসম্পূর্ণ
মসৃণ বালুদ্বীপ বিছানো পায়ের ছাপ যেখানে নীলজল ঠেকিয়ে মাথাধুয়েমুছে দেয় আমাদের ফেলে আসা পা। কতটাসম্পূর্ণ
এই সমান্তরাল পথ,সাদা কাশফুলআর বিস্তীর্ণ জলাভূমি!তার ঠিক পিঠ ঘেষে তুমি অস্তমিত সূর্যস্ফুলন।আমি পুরো আকাশ জোড়াসম্পূর্ণ
কখনো কি দেখেছো, কাজল রাঙা চোখের, মায়া ভরা মুখের, সেই – অমায়িক চাহনিখানি..!?তাহলে তুমিসম্পূর্ণ
কিন্নরী হিমাংশু, তোমার নিঃশ্বাসে জ্বলে ওঠা তারা অসংখ্য আবেগের কাছে হেরে গিয়ে অবশেষে বলেছিলো তবুসম্পূর্ণ
আমার শহরে তোমায় স্বাগতম,বহুযুগ ধরে যে শহর ছিলো নিষ্প্রাণ,নিস্তেজগ্রীষ্মের দাবদাহে প্রকান্ড মৃত্যুকূপ, নিমজ্জিত ছিলো সুদীর্ঘসম্পূর্ণ
তোমাকে মনে পড়বে,হঠাৎ করে বৃষ্টি নেমে এই শহর ভিজিয়ে দেয়ার নামে নদী ডেকে আনলে, গাছসম্পূর্ণ
যেমনি করে প্রতিটা মুহূর্তে ধেয়ে আসে মৃত্যু- খাবলে ধরে স্বরযন্ত্র- অসুস্থ গোঙানি; তেমনি প্রতিটা সূর্যাস্তে,সম্পূর্ণ
আমায় ভাঙো তুমি,আবার আমাকেই গড়ো,আমায় ভালোবেসে,আমাকেই পড়ো।আমিও ভালোবেসেছি তোমায়প্রতিটা প্রহরে, অক্ষরে, আবেশের ঘোরে, মন্ত্রমুগ্ধের মতোসম্পূর্ণ