স্মৃতির শহর ১৪ – যদি কবিতা লিখে…
যদি কবিতা লিখে মাঠ-ভর্তি ধান ফলানো যেত আমি রক্ত দিয়ে লিখতুম সেই কবিতা যদি কবিতারসম্পূর্ণ
যদি কবিতা লিখে মাঠ-ভর্তি ধান ফলানো যেত আমি রক্ত দিয়ে লিখতুম সেই কবিতা যদি কবিতারসম্পূর্ণ
একে ওকে নষ্ট করে চলে গেল প্রেম যদি বা যাবার ছিল তবে কেন থেমেছিল সহসাসম্পূর্ণ
রিকশা কিংবা বিছানার বামপাশটায় অথবা হৃদয়ের বাম-অলিন্দেএকটা অসহ্য শূন্যস্থান; আশ্চর্য শুন্যস্থাণ নিয়ে পরিব্রাজক আমি। বেঁচেসম্পূর্ণ
পৃথিবী প্রবীণ আরো হয়ে যায় মিরুজিন নদীটির তীরে; বিবর্ণ প্রাসাদ তার ছায়া ফেলে জলে। এসম্পূর্ণ
এখন দিনের শেষে তিনজন আধো আইবুড়ো ভিখিরীর অত্যন্ত প্রশান্ত হ’ল মন; ধূসর বাতাস খেয়ে একসম্পূর্ণ
কাগজ কলম নিয়ে চুপচাপ বসে থাকা প্রয়োজন আজ; প্রতিটি ব্যর্থতা, ক্লান্তি কি অস্পষ্ট আত্নতৃপ্তি সঙ্গেসম্পূর্ণ
স্রোতপৃষ্ঠে চূর্ণ-চূর্ণ লোহিত সূর্যাস্ত ভেসে আছে; নিশ্চল, যদিও নিম্নে সংলগ্ন অস্থির স্রোত বয়। এখন আহতসম্পূর্ণ
ক্লান্ত জনসাধারণ আমি আজ–চিরকাল; আমার হৃদয়ে পৃথিবীর দণ্ডীদের মত পরিমিত ভাষা নেই। রাত্রিবেলা বহুক্ষণ মোমেরসম্পূর্ণ
পৃথিবীতে ঢের দিন বেঁচে থাকে আমাদের আয়ু এখন মৃত্যুর শব্দ শোনে দিনমান। হৃদয়কে চোখঠার দিয়েসম্পূর্ণ
এই যে একটা কবিতা, দো’তালা বেয়ে সোজা উঠে গেল উপরে, পিঠে ভারী বোঝা নিয়ে চলাফেরাসম্পূর্ণ