আজকাল নিয়ম বলে কিছু হয় না। আমি যা করছি তাই সংবিধান
এই যে কখনো টেক্কা হচ্ছি, কখনো সাহেব, কখনো বিবি।
এই যে কখনো হচ্ছি গোলাম— এসব কিছুই নিয়মের মধ্যেই পড়ে
যেহেতু আমি আপাদমস্তক প্রেমিক, এই লীলাময়ী প্রেম’ই আমার একমাত্র নিয়ম৷

সম্পূর্ণ

আমি তোমারে চাইরদেয়ালের বন্ধ কক্ষে যন্ত্রশীতল সয্যা দিতে পারতাম না ঠিক।

তয় ভাঙা চালার ফাঁক গলা জোছনার পরশ আর দখিনা বাসাতের নিশ্চিন্ত নিদ্রা দিতে পারতাম।। সম্পূর্ণ

আমার শৈশবের সাক্ষী আমার এই গ্রাম;
আমার বেড়ে উঠার পবিত্র ভূমি,
আমার যৌবন আলাদা করেছে এই মাটিকে; জীবন সংগ্রামে !
আবার বার্ধক্যে আকড়ে ধরবে এই চেনাগলি,
শেষ ঠিকানায় কিংবা মৃত্যুর বার্তা পাঠ শেষে ।
মৃত্যুর পরোয়ানায় তিন হাত জায়গায় দাফন হোক যশোড়ার বুকে;
হ্যাঁ, আমার গ্রামে, নোয়াখালীতে ।সম্পূর্ণ

তোমাদের কান্নার রোল শ্যালের ফ্লোর থেকে শুরু হয়ে
পিয়াসী তারপর সাকুরা হয়ে পাঁচতারা হোটেলের
শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষের বিছানায় আছড়ে পড়বে।সম্পূর্ণ

তোমার লন, ট্যারেস, বারান্দা, আর লিভিং জোন নামের যে বিলাসী চতুর্ভূজটা সারাক্ষণ তোমাকে ঘিরে বিরাজ করে, সেখানে একটা কোণ দেখাতে পারবে? যেই কোণের মধ্যে আমাদের পুরনো ট্যাংকের বৃত্ত আঁকা যায়?সম্পূর্ণ

ব্যাস্ত শহরের মাঝে ব্যাস্ত আমি,
ক্লান্ত দেহের ক্লান্ত মনে থাকি।
সারাদিনের কঠোর রোদের তাপে,
বৃষ্টি মাঝেও আয়ের জন্য যাই ভিজে।

ছোট্ট একটা সংসার আমার গড়ি,
তাদের প্রয়োজনে আমি পুড়ি।
শীতের সকালে ঠাণ্ডা হাওয়ায়,
কুয়াশাচ্ছন্ন আঁধার মাঝের রাস্তায়।
শিশির ভেজা কনকনে শীতের মাঝে,
পথ চলি ধরে কাজের গন্তব্যে।সম্পূর্ণ