হ্যাডে ভুগ নাই
হাগলচোদা হই বই রইসি হইরহাড়ে। হ্যাডে ভুগ নাই-কইলজায় নাই হানি!মাথার ভিতর এ কি ডিস্টাপ শুরুসম্পূর্ণ
হাগলচোদা হই বই রইসি হইরহাড়ে। হ্যাডে ভুগ নাই-কইলজায় নাই হানি!মাথার ভিতর এ কি ডিস্টাপ শুরুসম্পূর্ণ
১. মুছে দিবো-শৈশর কৈশর বাল্যকাল;দূরন্ত ছেলে বেলাকে!মায়াজাল ছিন্ন ছিন্ন করেনিজেকে গুটিয়ে নিয়ে চলে যাবো বহুদূর, দূরসম্পূর্ণ
দু চার লাইনের কথিকায়আমায় প্রকাশ করা দায়!ক্ষোভ,ক্রোধ,বিষাদের যন্ত্রনায়,রোজ আমি হামাগুড়ি খায়! ছেটে পুটে খাচ্ছে ত্যাক্ততা,গ্রাসসম্পূর্ণ
মনে মধ্যে বইতে থাকা অসুখের খবর প্রচারিত হয় না মুখে,আমি বলি কি, একবার;হ্যাঁ, কেবল মাত্রসম্পূর্ণ
হে কবি, একাকীত্বে ডুবে আছে আমাদের রাত।সুখরোবার-ছুটিবারচাঁদের আলো গিলে নিচ্ছে অন্ধকারআসুন আমরা পানে উদ্বত হই;মেতেসম্পূর্ণ
১. তুমি চলে যাচ্ছো-বুকের প’রে হেঁটে যাচ্ছোপায়ের নুপুরে আটকে নিয়ে আমার চোখ। তুমি চলে যাচ্ছো-হেঁটেসম্পূর্ণ
অস্পষ্টতা নিপুন গভীরতা!আমি কি বুঝি? মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণও বুঝি না। নদীর কালো জলে ভেসে আসার সময়,কচুরিপানাসম্পূর্ণ
তু মি হী ন এক বিকেলে-নীড়ে ফেরা পাখিগুলো ঝুলে পড়েছে আকাশে,মেঘগুলো এলোমেলো হাঁটছে;আঁধারের খোলস গিলেসম্পূর্ণ
অনেক পাখির মতো এখনো বাড়ি ফেরেনি কাদামাখা একজোড়া পা,পুকুরঘাটের বাঁধানো সিঁড়ি বেয়ে নামতে থাকা শামুকওসম্পূর্ণ
সে এক প্রেমের নিবন্ধন,প্রিয়তমা বলেই,স্মৃতি চেতন,ঘাতক হতে চাওয়া মন,একা আত্মহত্যা চাই না জীবন!আলিঙ্গন করে জোৎস্নাসম্পূর্ণ
কীভাবে আপনার চুলে-
বিনি কেটে বসে থাকা
এক কোটি হলদে দুপুর।সম্পূর্ণ
পথিক যেন যাচ্ছে হেটে অস্থিরতা মনের ভেতর চোখের ভেতর স্বপ্ন নিয়ে। স্বপ্ন গুল অনেক চেনাসম্পূর্ণ