| কবিতা | নিঃসঙ্গ শূন্যতা |
| কবি | আজিজুল হক |
| লিখার স্থান | কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ, ভারতবর্ষ |
| কবিতার বিষয় | অন্যান্য, আশা, জীবনমুখী, প্রকৃতি, প্রতিবাদ, প্রেম, বাংলাদেশ, বিরহ, ভারতবর্ষ, রাজনৈতিক |
তুমি যখন ছেড়ে যাও নিঃসঙ্গতায় আমায়,
সে মুহূর্ত গুলোয় আকাশে উড়তে ভুলে যায় রাজঁহাস
ভুল পথে হারিয়ে ফেলে পথ।
নীড় তার নিঃসঙ্গতায় চেয়ে থাকে
বহুদূর,
যতদূর তোমার পরশ ছুঁয়ে থাকে হৃদয়।
ভুবন ডাঙায় পরে থাকে তার শূন্য ডানা ঝেড়ে ফেলা
নিঃসঙ্গতার খেলাঘর।
তুমি যখন যাও
ঈদ মেহেফিল হারিয়ে ফেলে আবেগ আর তার জৌলুস,
মানুষ ঘরে ফেরে লঞ্চ, বাসে ট্রেনে
নিঃসঙ্গতায়!
স্টেশনে দাড়ানো ট্রেনের হুইসেল নাম ধরে ডাকে তোমায়
শুধু যাবার আগে একবার
নাড়ির টানে আমায় ছুঁয়ে যাও আমায়
আমার কবরে একাকী নিঃসঙ্গতায়।
তুমি যখন ছেড়ে যাও
চিলাপাতার গভীর অরণ্যে কেঁদে উঠে সবুজের বাতাবরণ!
পাখি গুলো হারায় পথ,
মত্ত হাতি মাটিতে মাথা আছড়ায়।
নিজেই যখন যাও হৃদয়ের বদ্বীপ ছুঁয়ে
সবুজ ঘাসের অনাবিল আনন্দ গুলো বিস্বাদ গ্রস্ত হয়,
সোনাপুরের মসজিদে তখন
মাগরিবের আজানে তোমার শূন্যতার ক্রন্দন বাতাসের সুরে মিশে যায়।
তুমি নিজেই যখন চলে যাও
অচেনা ভবিষ্যতের টানে..
মরিয়মের গর্ভ জুড়ে তখন ঈশার
আবির্ভাবে বিকশিত ফুল গুলো ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠে তোমার শূন্যতায়।
কোচবিহার শহরে কোন এক গলিতে
আমি তখন শুনতে থাকি
কোন এক ডিসেম্বরের গান
একলা,একাকী, নিঃসঙ্গতায়!