কবিতা নব শশী
কবি মুহাম্মদ শাফায়াত হুসাইন
কাব্যগ্রন্থ হৃদয়ের অক্সিজেন
উৎসর্গ জনকজননী কে
লিখার স্থান মহিষকুণ্ডি, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া।
সম্পৃক্ততা ধর্মীয় গোরামি
কবিতার বিষয় অন্যান্য, আশা, জীবনমুখী, প্রতিবাদ, বাংলাদেশ, ভারতবর্ষ, সমসাময়িক

হে মুসলমান হারাম থেকে বাঁচ আজি,
একই চান্দ্র তারিখ ও বারে ঈদ পালনে হও রাজি।
কোরআন, হাদিস, কিয়াস ও ইজমায় হও সন্ধানী
সমগ্র বিশ্বে একই দিনে ঈদ ও রমজান দেখ কার বাণী।
হানাফি মালেকি হাম্বলি মাযহাবের ইমাম গণ একমত
একই চান্দ্র তারিখ ও বারে সাওম পালনের ক্ষেত্রে সর্বসম্মত।
সাহরি, ইফতার ও নামাজ হয় স্থানীয় সৌর সময়ে,
সাওম পালন ও ঈদ উদযাপন হয় নব চাঁদ উদয়ে।
সত্যবাদি মুসলমানের চাঁদ দেখার সংবাদ পাও যদি কোন দেশ,
সাওম ও ঈদ পালন করতে রাসুল (সঃ) দেন নির্দেশ।
মধ্য প্রাচ্যের ন্যায়পরায়ন মুসলমানের চাঁদ দেখার সংবাদ,
মূহুর্তে আমরা তথ্য প্রযুক্তিতে জানিতে পাই অবাধ।
বিজ্ঞানের যুগেও মানিতে চাই না হেলাল ক্বামারের পার্থক্য,
নামাজের ওয়াক্ত নির্ণয়ে প্রযুক্তির ব্যবহারে আছে স্বার্থ্য।
সাহরি ও ইফতারে সময় নির্ধারণে বিজ্ঞান মান দলে দলে।
চান্দ্র মাসের ফাতাওয়ায় বিজ্ঞান ব্যবহারে কেন অগ্নি দহনে জ্বলে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানের গবেষণায় হয়েছে প্রমাণ,
সর্বস্থানে নব চাঁদ খালি চোখে হয় না দৃশ্যমান।
সর্বদা প্রতিটি চান্দ্র মাসের পহেলা তারিখ সবে,
সর্বপ্রথম ৩০ হতে ৪৫ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যে দৃশ্যমান শুরু হবে।
নির্দিষ্ট অবস্থানে দৃশ্যমান চাঁদ হেলাল থাকে একদিন,
পরবর্তীতে হয়ে যায় ক্বামার, নয় নবীন।
মক্কা ও তার পার্শ্ববর্তি অঞ্চলে নব চাঁদ দেখার কথা,
সেখানে পূর্ব গোলার্ধে বা বাংলাদেশে বৃথা।
যদি পৃথিবীর কেন্দ্র মক্কা ভৌগোলিকভাবে যায় দেখা,
তবে কেন গ্রীনিচ মান মন্দিরের উপর দিয়ে যায় ০ডিগ্রি দ্রাঘিমার রেখা?
প্রতি চান্দ্র মাসের নব চাঁদ হেলাল থাকে একদিন শুনি,
তবে কেন বিশ্ব জুড়ে দুইটা চান্দ্র তারিখের ধ্বনি?
জুমার নামাজ শুক্রবারেই হয়ে আসছে এই যুগান্তরে,
পার্থক্য যদি থাকে তবে হয় না কেন শনিবার বা দিনান্তরে?
আরাফার পরের দিন ঈদুল আজহা ফরমান রাসুল সঃ),
হারাম দিনে আরাফার রোজা রেখে আমরা করি ভুল।
আরাফার দিন উদযাপন হয় একই তারিখ ও বারে,
প্রাচ্যে ঈদুল আজহা হয় কেন মধ্য প্রাচ্যের এক দিন পরে?
প্রাচ্যের বা বাংলাদেশের জন্য রয়েছে কী আলাদা আরাফার ময়দান,
হে মুসলমান! যদি তা না হয় তবে কেন করছ না অভ্যুত্থান?

নতুন চাঁদ দৃশ্যমান হলে চান্দ্র মাসের পহেলা তারিখ হবে সার্বজনীন,
একই চান্দ্র তারিখ ও বারে স্থানীয় সৌর সময়ে ইসলামী পর্ব হবে বিশ্বজনীন।
সত্য প্রতিষ্ঠা সংগ্রামের সেনাপতি যিনি,
আমার মাথার তাজ, নয়নে মণি ও মুর্শিদ তিনি।
ড.মুফতী মাওলানা এ কে এম মাহবুবুর রহমান,
সত্য প্রতিষ্ঠা নাহি হওয়া পর্যন্ত থাকিবে আপনার সংগ্রাম চলমান।
সৈন্য হিসেবে আছে সব সালেক সত্য পন্থী মদিনার জামায়াত,
যতই তুফান হক থাকিব সাথে, আমি অধম শাফায়াত।

guest
0 Comments
Newest
Oldest Most Voted