নির্বোধ জাতি
আমি, তুমি, সে, ওরা, আমরা সবাইদুঃসময়ের তরবারি পড়েছে মাথায়,প্রতিদিন হয় হবে দিব শুনেচুল ঝরছে আয়সম্পূর্ণ
স্বাধীনতার কবিতা
আমি, তুমি, সে, ওরা, আমরা সবাইদুঃসময়ের তরবারি পড়েছে মাথায়,প্রতিদিন হয় হবে দিব শুনেচুল ঝরছে আয়সম্পূর্ণ
বহু পথ বহু রথ বহু খাণ্ডবদাহনবহু শতাব্দীর বহু রক্তগঙ্গা পেরিয়েতুমি এসেছো তুমি পেরেছ,তুমি ধন্য বাংলাদেশ!তুমিসম্পূর্ণ
মিছিলে যখন আমি মোশতাকের শবদেহ মস্তিষ্কে নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম, তখন আমার ঠিক ডানপাশে ছিলো স্বৈরাচারীসম্পূর্ণ
দেখিয়েছিলেন তর্জনী সেদিন,সেই একজন-যার জন্যে হয়েছে দেশটা স্বাধীন। সাড়ে সাত কোটি বাঙালীরে কয়েছিলেন,অস্ত্র ধরিবারে-আরও কয়েছিলেন,সকলসম্পূর্ণ
বুক সেল্ফে বন্দী পড়ে থাকা গণতন্ত্র আমার চাইনা ,যে গণতন্ত্রর মুখোশে স্বৈরাতন্ত্রর বাস তাকে চাইনাসম্পূর্ণ
ডাক দিয়েছিলো সেযার যা আছে তাই নিয়ে এসোমুখের ভাষা মুক্ত করবোপ্রাণ যদি লাগে দিবো।সম্পূর্ণ
আজ এ-বৎসরের শেষ রবিবারে সমস্ত শহর করে তোলপাড় গ্রীসীয় যুবার মতো ভুঁড়ে দেবো শব্দের মাতালসম্পূর্ণ
মননীয় সভাপতি ….। সভাপতি কে? কে সভাপতি?ক্ষমা করবেন সভাপতি সাহেব,আপনাকে আমি সভাপতি মানি না।তবে কিসম্পূর্ণ
বাবুই পাখিরে ডাকি, বলিছে চড়াই- “কুঁড়ে ঘরে থেকে কর শিল্পের বড়াই; আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকাসম্পূর্ণ
পৃথিবীর দেয়াল জুড়ে ছড়িয়ে দাও শব্দের গ্রাফিতিপ্রতিবাদী শব্দতে ধ্বংস করো সকল অন্যায় দূর্নীতি ,মনে রেখোসম্পূর্ণ
স্বাধীনতার শরীর জুড়ে আজ পরাধীনতার শেকলরক্তখেকো হায়েনার দল দেখতেও মানুষ অবিকল ;প্রতিবাদ প্রতিরোধের মহড়ায় হয়সম্পূর্ণ
তিনি ছিলেন রাষ্ট্রের একজন কর্মচারী আর ভাবে এ যেন তার পৈতৃক সম্পত্তি ;সারা রাষ্ট্র যেনসম্পূর্ণ