স্বাধীনতার ডাক
ডাক দিয়েছিলো সেযার যা আছে তাই নিয়ে এসোমুখের ভাষা মুক্ত করবোপ্রাণ যদি লাগে দিবো।সম্পূর্ণ
স্বাধীনতার কবিতা
ডাক দিয়েছিলো সেযার যা আছে তাই নিয়ে এসোমুখের ভাষা মুক্ত করবোপ্রাণ যদি লাগে দিবো।সম্পূর্ণ
আজ এ-বৎসরের শেষ রবিবারে সমস্ত শহর করে তোলপাড় গ্রীসীয় যুবার মতো ভুঁড়ে দেবো শব্দের মাতালসম্পূর্ণ
মননীয় সভাপতি ….। সভাপতি কে? কে সভাপতি?ক্ষমা করবেন সভাপতি সাহেব,আপনাকে আমি সভাপতি মানি না।তবে কিসম্পূর্ণ
বাবুই পাখিরে ডাকি, বলিছে চড়াই- “কুঁড়ে ঘরে থেকে কর শিল্পের বড়াই; আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকাসম্পূর্ণ
পৃথিবীর দেয়াল জুড়ে ছড়িয়ে দাও শব্দের গ্রাফিতিপ্রতিবাদী শব্দতে ধ্বংস করো সকল অন্যায় দূর্নীতি ,মনে রেখোসম্পূর্ণ
স্বাধীনতার শরীর জুড়ে আজ পরাধীনতার শেকলরক্তখেকো হায়েনার দল দেখতেও মানুষ অবিকল ;প্রতিবাদ প্রতিরোধের মহড়ায় হয়সম্পূর্ণ
তিনি ছিলেন রাষ্ট্রের একজন কর্মচারী আর ভাবে এ যেন তার পৈতৃক সম্পত্তি ;সারা রাষ্ট্র যেনসম্পূর্ণ
আমার জন্যে কয়েক বিলিয়ন কফিন জমা রেখো, প্রিয়তমা।গোলাপের চাষ অলাভজনক হতে পারে- পৃথিবীতে যুদ্ধ কখনোসম্পূর্ণ
সেলের তালা খোলা মাত্রই এক টুকরো রোদ এসে পড়লো ঘরের মধ্যেআজ তুমি আসবে ।সারা ঘরেসম্পূর্ণ
জাতির পতাকা খামচে ধরেছে আজ পুরোনো শকুন। স্বাধীনতা, সে আমার – স্বজন, হারিয়ে পাওয়া একমাত্র স্বজন – স্বাধীনতা – আমার প্রিয় মানুষের রক্তে কেনা অমূল্য ফসল। ধর্ষিতা বোনের শাড়ী ওই আমার রক্তাক্ত জাতির পতাকা।সম্পূর্ণ
ভাত না পেয়ে যে কৃষক মরে যায় মহাজনের ধানের গোলায়, তার জন্য কেবল গোরখোদকরাই কাঁদে,সম্পূর্ণ