তোমার জন্য
তোমার জন্য জয় করেছি একটি যুদ্ধ একটি দেশের স্বাধীনতা, তোমার হাসি, তোমার মুখের শব্দগুলি সেইসম্পূর্ণ
স্বাধীনতার কবিতা
তোমার জন্য জয় করেছি একটি যুদ্ধ একটি দেশের স্বাধীনতা, তোমার হাসি, তোমার মুখের শব্দগুলি সেইসম্পূর্ণ
অসম্ভব ক্ষুধা ও তৃষ্ণা ছিলো,সামনে যা পেলো খেলো,যেন মন্বন্তরে কেটে যাওয়া রজতজয়ন্তী শেষেএসেছে সে, সবকিছুসম্পূর্ণ
লক্ষ্মী বউটিকে আমি আজ আর কোথাও দেখি না, হাঁটি হাঁটি শিশুটিকে কোথাও দেখি না, কতগুলিসম্পূর্ণ
তোমাকে দুর্ভিক্ষের আগুনে পুড়তে দেখেছি,
মেশিনগানের বুলেটে দেখেছি স্বাধীনতা
তুমি আসবে বলে এ স্বাধীনতা;
হৃদয় কাঁপানো রক্তের নদী বেয়ে
হে স্বাধীনতা তুমি এসেছো,
আমার হাড়-ভাঙা পাঁজরে ফুটে উঠেছে
রক্তে লেখা নাম ভারতবর্ষ।
ত্রিবর্ণ রঞ্জিত পতাকা মেলে ধরবার জন্য হে স্বাধীনতা;
তোমাকে ভারতবর্ষের প্রতিটি মানুষের ভালোবাসা
পাওয়ার জন্য এই স্বাধীনতা।
সম্পূর্ণ
স্বাধীন স্বাধীন স্বাধীনতা
এই আমাদের স্বাধীনতা,
উঠলো আবার রক্তিম সূর্য;
পুব আকাশে ডানা মেললো
তুলে ধরলো তিবর্ণ রঞ্জিত পতাকা
এই আমাদের স্বাধীনতা।সম্পূর্ণ
সীমান্ত পেড়িয়ে সীমাবদ্ধ রেখে আমার স্বাধীনতা। রাশি রাশি তীব্র তীরে কাঁটাতার ভেদ করে ছুটে আসেসম্পূর্ণ
টুঙ্গিপাড়ার একটি যুবকবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যাঁর নাম, দেখিয়েছিলেন মুক্তির পথনায়ক বাংলার মুক্তির চেতনার।বুকে নিয়ে দেশসম্পূর্ণ
আমি, তুমি, সে, ওরা, আমরা সবাইদুঃসময়ের তরবারি পড়েছে মাথায়,প্রতিদিন হয় হবে দিব শুনেচুল ঝরছে আয়সম্পূর্ণ
বহু পথ বহু রথ বহু খাণ্ডবদাহনবহু শতাব্দীর বহু রক্তগঙ্গা পেরিয়েতুমি এসেছো তুমি পেরেছ,তুমি ধন্য বাংলাদেশ!তুমিসম্পূর্ণ
মিছিলে যখন আমি মোশতাকের শবদেহ মস্তিষ্কে নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম, তখন আমার ঠিক ডানপাশে ছিলো স্বৈরাচারীসম্পূর্ণ
দেখিয়েছিলেন তর্জনী সেদিন,সেই একজন-যার জন্যে হয়েছে দেশটা স্বাধীন। সাড়ে সাত কোটি বাঙালীরে কয়েছিলেন,অস্ত্র ধরিবারে-আরও কয়েছিলেন,সকলসম্পূর্ণ