সেই মোক্ষ পাই
মৃত্যু তামাশা থাক
ক্ষয় ক্ষতি আরও। প্রতি পলে
খসে যাক গ্রন্থিছাপ, রক্তগ্রুপ পূর্বাপর
এ ঘোর কলি নৈরাজ্য স্থলে
নিবেদিত শ্বাসটুক সত্যি শুধু, এস নাও
পেতে দাও নিসর্গ আঁচল
নর আর নারী হই প্রাগ ও প্রাচীন
ধ্বংসের অশ্রুতলে আবারো ঐহিক
কাঙ্খিত শিশু চাই
ভবিতব্য দেব ওকে,দৈর্ঘ্য প্রস্ত মেপে
সম্পূর্ণ

হে কবি তুমি কি লিখতে পারবে –
অসহায় সম্বলহীণ হা-ভাতে থাকা মানুষের বেদন,
লিখতে পারবে দুঃখিনী মায়ের যন্ত্রণার রক্তক্ষরণ।
লিখবে কি আমার বোনের অত্নহত্যার ইতিহাস।সম্পূর্ণ

পহেলা বৈশাখ নিয়ে কেন হইচই
পহেলা বৈশাখ না থাকলে বাঙালিত্ব কই?
পহেলা বৈশাখ না থাকলে থাকবে না বাঙালি জাতি
পহেলা বৈশাখ বাঙালির আঁধার ঘরের বাতি।সম্পূর্ণ

একটা ভাষা নামক মুক্তার মালা আমার গলায়
প্রিয় গানে অভিমানে মায়ের মুখের বুলি
আমার কবিতা; শহিদের রক্তে রঞ্জিত রাজপথ
আমার বাংলা; আমার একুশ।সম্পূর্ণ

পথে পথে লাখো জনতার ভীর
বাংলাদেশ যেন সেদিন রেসকোর্স ময়দান
এক ব্যক্তি, এক মত, এক বাংলা আমার
স্বাধিনতা চাই স্বাধীনতা চাই এই পণ সবার।সম্পূর্ণ

একটি জাতির স্বাধীনতার জন্য বুকের তাঁজা রক্ত ঢেলে দিয়ে ছিল কর্দমাক্ত রাজপথে,
আমরা তাদেরই উত্তরাধিকার,বেঁচে থাকবো চিরকাল।সম্পূর্ণ

একদল নাফারমানের নারকীয় নৃত্য দেখেছিল সে রাত,
তবে ব্যাকগ্রাউন্ডে তবলা কিংবা ড্রামে বাজনা ছিল না,
ছিল মেশিনগানের হুঙ্কার, ট্যাংকের গর্জন, আর কতগুলা হতভাগার বৃথা আর্তনাদ।সম্পূর্ণ

একটি ধ্বংস-বিধ্বস্ত স্টেশন থেকে,-
আমাদের স্বাধীনতার ট্রেনটি ছেড়েছিল ;

অবশ্য বিনামূল্যে নয়,-
আমরা স্টেশন মাস্টারকে আমাদের বুকের
টকটকে লাল রক্তের বিনিময়ে উঠেছিলাম!
সম্পূর্ণ