প্রিয়তমা, কল্পনার প্রিয়তমা-
তোমারে দেখে মনে হয় ঝর্ণার থেকেও সুন্দর।
রাতের অন্ধকারে তোমারে দেখলে মনে হয় রাতের পরী-
অথবা ভোরের স্নিগ্ধ আলোয়- রাজহংসীর রানী-
তখন দেখে তোমায় হারিয়ে যায় সব উদাসীন কবি।

পৃথিবীর অনিবার্য রাত্রির কাছে
জ্যোৎস্নায় মৃত হরিণীরা জেগে ওঠে
শীতল সমুদ্রে গা- ভাসাবার জন্য;
সেই আদিকাল থেকে অপেক্ষায় থাকা পুরুষ হরিণেরা
পুরানো প্রেমিকাদের ফিরে পাওয়ার আশায় তাঁরাও জেগে ওঠে
মৃত থেকে; তখন ঝাপ দেয় শীতল সমুদ্রের বুকে।
সম্পূর্ণ

সবই বাড়বাড়ন্তের পথে এগিয়ে চলে
কিছু পাই আর কখনো কিছু হারায়
তবুও খুঁজে পাওয়া গেল না তাঁকে
আমিতো আগেই বিদ্রোহীর পোশাক গায়ে জড়িয়েছি
তুমি তা মানোনী বোধহয়
সীমাহীন চোখের আড়ালে যাও চলে
মানুষেরা সব উন্নতি থেকে অবনমনের পথে এড়িয়ে চলে – তুমি: তা টের পাও কি কখনো !!সম্পূর্ণ

কবিতার পাতায় ভেসে ওঠে
নীল আকাশ, নক্ষত্রের আলো।
কিতাদুরস্ত সৌন্দর্য্যের বেশে
দেখা দাও তুমি চোখের পলকে।
এই পৃথিবীর রুদ্ধ প্রাচীর ভেদ করে
ধরণীর ললনা হয়ে প্রেমিকা হও!সম্পূর্ণ

তোমাকে যখন খুব করে চেয়েছিলাম
তুমি, আমার ডাকে সাড়া দাও নি।
তোমার জন্য যখন পাগল ছিলাম
নিছক পাগলামি ভেবে একবারও খেয়াল কর নি।সম্পূর্ণ

তুমি কোথায় প্রিয়তমা,আমার অর্ধেক দ্বীন? তুমি কি জেগে?নিঃশব্দ রাত্রির নিশিথীনি হয়ে? বাতাসের সুরে কি শুনতে পাও?হৃদয়ের প্রতিটি স্পন্দন তোমায় ডাকে…সম্পূর্ণ