ক্ষমা করে দিও
——— প্রতাপ মণ্ডল

আমিতো কবি নই, তবু আজ কিছু লিখতে চাই….
হে বিদ্রোহী কবি, নতশিরে তোমায় প্রণাম জানাই।
বিদ্রোহ আজও হয়, কলমে কাগজে
জাতিভেদ আজও আছে সবার মগজে
আসলে লাটাইটা ওদের হাতে, আমরা তো ঘুড়ি
ওরা যখন যেমন ওড়ায়, আমরা তেমনই উড়ি।

সাম্যের কথা মুখে বলে শুধু, আসলে বিভেদ বড়
বাঁশেরা পলকা হয়, কঞ্চিরা অনেক বেশী দঢ়
সেকেলে ধ্যান-ধারণা এখনো সবার মনে
লড়াইটা সেইযুগ থেকে চলছে গোপনে
বেশী বুঝলে বা বোঝালে প্রাণটা যেতে পারে অকালে
দাঁড়িতে টিকিতে এখনো দেখা হয় রোজ প্রভাত কালে।

হে কবি, কাকে দিয়ে গেছো তোমার বুকের আগুন?
বর্ষায় পাড় ভাঙে খরায় ফুটিফাটা মাঠ, কোথায় ফাগুন!
তবে কি আগুন ছিলো তোমার কলমে?
আমাকে থাকতে দাও না তোমার ওমে!
ভেঙে দিতে চাই কলমে, যতো আছে বিভেদের সীমারেখা
আজও কাগজে কলমে না হয় বিদ্রোহ হোক লেখা…!

গণ্ডীর বাইরে পারিনি যেতে, আওড়াই শেখানো বুলি
পদানত আজও সেই ক্ষমতার কাছে, শিরোস্ত্রণ খুলি।
ক্ষমা করে দিও আমাদের যত ভুল
এখনো ফোটে একই বৃন্তে দু’টি ফুল
জানিনা কাদের স্বার্থে চলে এতো বিভাজন রোজ….!
ফিরে এসে দেখো, এখনো করি আমরা তোমার খোঁজ।সম্পূর্ণ

আকাশ হতে মানুষ পড়ছে!
পিসার হেলানো টাওয়ারে হেলান দিয়ে
আমি দেখছি তার পড়ে যাওয়া।
তা দেখে পিকাসো কিংবা ডালি,
একে ফেলতো কোনো সুরিয়াল ছবি,
গ্যালিলিও লিখতো কোনো নতুন সূত্র,
পড়ন্ত বস্তুর মতো পড়ন্ত মানুষের সূত্র। সম্পূর্ণ

এ্যাই রুদ্র, এ্যাই
প্রচন্ড হিমেল বাতাসে আমার হাত দুটি জমে বরফ হয়ে যাচ্ছে, কীভাবে লিখবো তোমাকে বলতো!!
ইচ্ছে করছে আমার বরফ ঠান্ডা শীতল হাত দুটি দিয়ে তোমার গাল দুটি স্পর্শ করে আসি। এই প্রথম তোমায় তুমি তুমি করে লিখছি। রুদ্র জানো, আমার না কেমন লজ্জা লজ্জা করছে এভাবে লিখতে…!!
আমি জানি,
এমন চিঠি আমি কখনো পাবো না! সম্পূর্ণ