প্রিয় অন্ধকার
আমার শেষ কবিতা ঝড়ে গেলে শরৎকালের ফোটা সেই কাশফুলের মতো,
বছর ঘুরে আবার আসবে বলে কেও মনে রাখলোনা সেই কাশফুলকে।সম্পূর্ণ
আমার শেষ কবিতা ঝড়ে গেলে শরৎকালের ফোটা সেই কাশফুলের মতো,
বছর ঘুরে আবার আসবে বলে কেও মনে রাখলোনা সেই কাশফুলকে।সম্পূর্ণ
প্লীজ চিৎকার করতে দাও নাহয় বিশুদ্ধ বাতাস দাও
আমায় চন্দ্রবিন্দু হতে দাও কিংবা এই নক্ষত্রের তলে একটু ঘুমাতে দাওসম্পূর্ণ
দারিদ্রের নাগপাশে আবদ্ধ করি দীনে
বিধাতা ছলিছেন যেন শেষ সম্বল হীনে!
যদিও ফুটিবে দিনের আলো
রাত্রির অবসানে।
কাঁসার বাটির ঝঙ্কার ধ্বনি উঠিবে রণনি
দারিদ্রের অনুরণনে।।
সম্পূর্ণ
পায়ে পায়ে পোড়ে বিগত দুপুর—ধীরে চলো বসন্তের লালঝুটি
আমার চোখ জ্বলে—বুকের ভেতরে ধুলো ওড়েসম্পূর্ণ
আমিতো সাঁতার না জানা একটা সুনীল শৈবাল
দমকা হাওয়ায় ঢের ভয়—যদি ভেসে চলে যাই তোমার গ্রীবায়
সম্পূর্ণ
বাবা গুলো ছোট হয়ে গেছে
ছেলেগুলো উঠছে ছাপিয়ে
অকাল মৃত্যু জলে ভাসবে জেনেও
কি উদ্বেল ঝাঁপ ! কিছু পরে বিক্রিত পণ্যের মতন
নগর দ্বারে সাজিয়ে সাজিয়ে
কি নিশ্চিত যান্ত্রিক যাপন !
সূক্ষ্ম কাপড় বেয়ে মেপে নেবে দৈন্য সংবেদ
কতটা তাত্ত্বিক, কতখানি উপেক্ষিত
ক’ ফোটা অস্তিত্ব তার পার্থিব স্কেচ হয়ে আছে
বাবারা ভুলেছে
সম্পূর্ণ
আকাশ তেমন উঠল মেতে দুর্বিপাকে
সরাসরি নিভিয়ে দিয়ে সূয্যিটাকে, কি
যে বলে মজলে মনের সন্ধিগুলো —-
গান পাঠালো ডাক পাঠালো
জ্বললো আলো,জুড়ল এসে সন্ধিটাকে !
আকাশ তেমন উঠল মেতে দুর্বিপাকে
সরাসরি নিভিয়ে দিয়ে সূয্যিটাকে, কি
যে বলে মজলে মনের সন্ধিগুলো —-
গান পাঠালো ডাক পাঠালো
জ্বললো আলো,জুড়ল এসে সন্ধিটাকে !
দিগন্তে এক টুকরো ক্লান্ত মেঘ, সন্ধ্যার অপেক্ষায়। চাঁদটা এসে ভরাবে মন জোছনায়। আর আমার তোমাকেসম্পূর্ণ