মেঘনা নদীর মাঝি
শহর থেকে ডিগ্রিধারী জোয়ান এক বাবু মেঘনার পাড়ে গিয়ে ভাবছেন বসে কি উপায়ে হবে পাড়সম্পূর্ণ
জীবনমুখী কবিতা সমূহ
শহর থেকে ডিগ্রিধারী জোয়ান এক বাবু মেঘনার পাড়ে গিয়ে ভাবছেন বসে কি উপায়ে হবে পাড়সম্পূর্ণ
কুকুরের মতো চাঁদ আমাকে খাচ্ছে কিন্তু আমার রক্ত গাঢ় করতে- শর্করা পুষ্টি ফসল মাটি দিচ্ছেসম্পূর্ণ
শুধু আকাশ কে দেখছি খসে যাচ্ছে, চাঁদের কাছে; মাটি নুনে ধরে যাচ্ছে- পানির কাছে, তবুসম্পূর্ণ
সময়ের ভেংচিতে
বিদ্রুপ হয়ে তেড়ে আসে যার
অতীতের প্রেম; তার কাছে মৃত্যুস্বাদ
নতুন এক অভিজ্ঞতা মাত্র।
মুছে যাওয়া চোখে হারিয়ে গেছে যার পথ
আয়ুর সীমানা তার বিফল পাযের কসরত।সম্পূর্ণ
দু:খ রে তোর গভীর প্রণয় রোদ্রে ধুয়ে নিস দু:খ রে তোর ভ্যাপসা তাপে ঘুরছি অহর্নিশ।সম্পূর্ণ
কোন্ স্বার্থের মুসলিম তুমি এই না ভবের মাঝে, পরের হিতে নিবিড় থেকে ডাকো দ্বীনের কাজে।সম্পূর্ণ
সলাজ ক্ষারিকা বুঝি ধুয়েছে আকাশ!
বিশাখার পাশে যেন বসে অগণন
সারিকার হাতভরা সম্মোহনী কাশ
মিটিমিটি ঢেলে যায় গণিকার মন।
মানুষের বেশে বুঝি পৃথিবীর হাটে
স্বাতী তারা এসে যায় রাতের তল্লাটে।
সম্পূর্ণ
বড় হও দেবদারু, পিপাসার ঘ্রাণে
ছায়া বেয়ে চলে এসে পথ ভোলা রাতে
কুয়াশায়– দেখে যাব আগামী অগ্রাণে
সাবিত্রীর চকচকে কালো ফুটপাতে।
মৌয়ালী মদিরা মেখে জ্যোৎস্নায় ভেসে
অতীতের কুহুতান ঘনায় যখন
ময়ূরাক্ষী বাতাসের হীমদহি শ্বাসে
ফুঁকে যাবো অক্ষবাটে উদাসীন মন।
গাঢ় হও দেবদারু, অশরীরী মাঠে
ছায়ামনে তরুতল রোদের সারস
অয়োময় নারীনৃপ ঝুমুরের ঠাটে
রেখে গেছে যাপনের বিবমিষা কষ।
সলতের চোখ বেঁধে বিদেহী আগুন
নুনের নাগাল পেতে করে যায় খুন।সম্পূর্ণ
একটা নিঃসঙ্গ রাত আমার সঙ্গে নির্ঘুম কাটে তার.. আকাশের নক্ষত্র আর চাঁদের কলঙ্ক গুলো আলোসম্পূর্ণ
সীমাবদ্ধতার বেড়াজাল পেরিয়ে তুমি, তোমার নিজস্ব একটা জগৎ তৈরী করে নাও। তোমার নিজের ভেতর জেগেসম্পূর্ণ