সময়ের ভেংচিতে
বিদ্রুপ হয়ে তেড়ে আসে যার
অতীতের প্রেম; তার কাছে মৃত্যুস্বাদ
নতুন এক অভিজ্ঞতা মাত্র।
মুছে যাওয়া চোখে হারিয়ে গেছে যার পথ
আয়ুর সীমানা তার বিফল পাযের কসরত।সম্পূর্ণ

সলাজ ক্ষারিকা বুঝি ধুয়েছে আকাশ!
বিশাখার পাশে যেন বসে অগণন
সারিকার হাতভরা সম্মোহনী কাশ
মিটিমিটি ঢেলে যায় গণিকার মন।

মানুষের বেশে বুঝি পৃথিবীর হাটে
স্বাতী তারা এসে যায় রাতের তল্লাটে।
সম্পূর্ণ

বড় হও দেবদারু, পিপাসার ঘ্রাণে
ছায়া বেয়ে চলে এসে পথ ভোলা রাতে
কুয়াশায়– দেখে যাব আগামী অগ্রাণে
সাবিত্রীর চকচকে কালো ফুটপাতে।

মৌয়ালী মদিরা মেখে জ্যোৎস্নায় ভেসে
অতীতের কুহুতান ঘনায় যখন
ময়ূরাক্ষী বাতাসের হীমদহি শ্বাসে
ফুঁকে যাবো অক্ষবাটে উদাসীন মন।

গাঢ় হও দেবদারু, অশরীরী মাঠে
ছায়ামনে তরুতল রোদের সারস
অয়োময় নারীনৃপ ঝুমুরের ঠাটে
রেখে গেছে যাপনের বিবমিষা কষ।

সলতের চোখ বেঁধে বিদেহী আগুন
নুনের নাগাল পেতে করে যায় খুন।সম্পূর্ণ

আজও সন্ধান মেলেনি তোমার জোনাকিদের,
আজও সন্ধ্যা আসেনি খরতাপ রৌদ্রদুপুরের প’রে,
সব জেনেও অপেক্ষায় তুমি এক অলীক মৃন্ময়,
এই তোমায় ঘিরে আমার এক সমুদ্র বিষ্ময়!সম্পূর্ণ

জলদুয়ারায় বাঁধছে হৃদয় কাম
ভাড়া নদী ভুলে জলের নাচন আঁকে
পল্লবীনির বুক পাঁজরের খাম
লিখছে অসুখ রতিরাত্রির বাঁকে।

শ্রান্ত সোহাগ পরকীয়ার পাতায়
আঁকছে কেমন নগ্নতার আধুলি
ভুত কামনায় প্রেমের দেহ হাতায়
নিষিদ্ধ সুখ চেনায় আঁধার গলি।

জলদুয়ারায় সংসার ভেসে চলে
ভাসছে শাবক জলদুয়ারার জলে।সম্পূর্ণ

আচ্ছা আজকাল যে সুপুরুষের ঠোঁটে ঠোঁট রেখে
মোমের মতো গলে যাও,
শিখাও ভূ-বিদ্যা- জ্যামিতি এবং
ঠিক কতটুকু নীচে ধরতে হয় ২০৭তম হাড়,বিশেষ অর্গান।
সে কি আবিষ্কার করেছে সেই গোপন তিল, অথবা
ঠিক কতটা উষ্ণতায় ঝড় উঠে তোমার উত্তাল সমুদ্রে-
কতটা দক্ষ নাভিক সে? কতকাল ভেসে থাকে!
কতটা কাঙাল তোমার নোনা জলের?সম্পূর্ণ