এভাবে কখনো
আমিও চোখের অশ্রুর সাগরে ডুবে মরি দিনে রাতে
তুমি কি সাঁতার জানো ভারত মহাসাগরে?
নাকি প্রেম বৃক্ষের বীজকে জাগাতে পারো
বহু সুপ্ত যুগ অপেক্ষার পরে।সম্পূর্ণ
তাহার লাগি প্রার্থনা
ভালোবাসার পদ্যগুলো রেখে যাব তার স্মরণে
আমি জানি সেও কাঁদবে আমার মরণে।
প্রকাশ্যে কিংবা অতি গোপনে
শাড়ির আঁচলে মুখ লুকিয়ে।
সম্পূর্ণ
নীল বাংলার সামনাসামনি
মৃত্যুর ভিতর থেকে জাগিয়া উঠিবো
যে দেনা ছিল আমার অতীতে
সেই দেনা দেবো চুকিয়ে।
“তারপর”
–ঠিক তারপর সমস্ত রাত্রি
ঝরিয়া যাবো নীরবে।।
ঝরিয়া যাবো নীল বাংলার প্রান্তরে।।
সে আমার হতে চাইনি
সে আমার হতে চাইনি
সভ্যতার হাতে তাজা খুনের রহস্য
রক্ত পিপাসার সন্নিকটে।
আসক্ত বুকের পাঁজর ভাঙ্গার পর
বহু বছর পর আবার দাঁড়িয়েছি উঠে আমি
যদি পিছন থেকে কেউ আমারে ডাকে!
সূর্য নক্ষত্র রাত্রি শুকায়ে যাবে মরণের মুঠোয়
চেয়ে চেয়ে শতাব্দীর অভিযোগে।সম্পূর্ণ
কবি ও কবিতা
তুমি আমার কল্পনার প্রিয়তমা হয়েছিলে
হয়েছিল ব্যস্ত শহরের অপ্সরা প্রেমের নারী
তারপর সারারাত্রি হয়েছিল পরিচয়
আকাশের এক ফালি অর্ধচন্দ্রের উপস্থিতিতে।সম্পূর্ণ
তুমি আর কি এমন
কতকিছু ভুলে যাই— সকালের চা’য় চিনি,
রাতের ঔষধ,
PC’র পাসওয়ার্ড।
কতকিছু ভুলে যাই—
শুধু ভুলে যাওয়ার একটা বাহানা নাই বলে
তোমাকে ভুলে যেতে পারছি না।
কোনরকম একটা বাহানা পেলে তোমাকে সেই কবেই ভুলে যেতাম—
তুমি আর কি এমন!
সম্পূর্ণ