ওদিকে যেও না তুমি আর
বেজে ওঠে দূর টেলিফোনেকাঁটাতারওদিকে যেও না তুমি আরওদিকে যেও না তুমি আর।আছো তুমি ভালো!দুইটি বিড়ালসম্পূর্ণ
বেজে ওঠে দূর টেলিফোনেকাঁটাতারওদিকে যেও না তুমি আরওদিকে যেও না তুমি আর।আছো তুমি ভালো!দুইটি বিড়ালসম্পূর্ণ
ভালো, এই ভালো, এই সম্পর্কে জটিলহাওয়া লাগা।কতদিনে হবে? মুক্তি, ওই তার ছিঁড়েদেয়াল ডিঙিয়েভেঙে নয় কোনকিছু,সম্পূর্ণ
দুঃখকে তোমার কোনো ভয় নেই, সেও ভালোবাসেভালোবাসা থেকে তুমি ভয় পাও? সুখ থেকে পাও?উল্লেখযোগ্যতা যদিসম্পূর্ণ
একটি চেনা পাথর পড়ে আছেপরনে তার অসংখ্য মৌমাছিভিতরে মৌ–কী জানি কার কাছেভালোবাসার অমল মালাগাছি? একটিসম্পূর্ণ
চারধারে তার উপঢৌকন, কিন্তু আছে স্থির, দুহাত মুঠিবদ্ধ কিন্তু ভিতরে অস্থির। কেউ তাকে দ্যাখেনি হতে,সম্পূর্ণ
সাড়ে ছয় হাতে দেহ জড়াবে নিশ্চয়,থানকাপড়ের গন্ধ আর জাগাবে নামৃত্যু নয়, প্রসঙ্গত মূর্ছা মনে হবে।সম্পূর্ণ
চন্দনের ধূপ আমি কবে পুড়িয়েছিমনে নেই। মন আর স্মৃতিগুলি ধরে না আদরে।সংশ্লিষ্ট চন্দন এই অবহেলাসম্পূর্ণ
এখন সন্ন্যাসী দুইজন–একজন আমি আর অন্যজন আমার পিতারমমতাবিহীন চক্ষুমাঝেমধ্যে রাত্রে দেন দেখাযখন একাকী আমি একামাঝেমধ্যেসম্পূর্ণ
তুমুল বৃষ্টিতে সব পাতা ভিজে গেলোএখনই শুকাতে হবে রোদ্দুর কোথায়?তিজেলে চড়াতে হবে অন্ন, তা কোথায়?মানুষসম্পূর্ণ
ওই বাড়ি, শিরীষের পাতায় আহত…এ-সত্য মৃত্যুর হিম ছোঁয়া দিয়ে তাকেব’লে যাবে, আজই নয়, কিন্তু কালসম্পূর্ণ
একটি ভিখারি ছেলে ভালোবেসে দেখেছিল ভাত আর পরখ করেছিল জ্যোত্স্নায় ছড়ানো ধানগাছগুলি, ধানের গোড়ায় শুদ্ধ জলভরাসম্পূর্ণ