জন্মতিথির উপহার
একটি কাঠের বাক্স শ্রীমতী ইন্দিরা প্রাণাধিকাসু স্নেহ-উপহার এনেছি রে দিতে লিখেও এনেছি দু-তিন ছত্তর।সম্পূর্ণ
একটি কাঠের বাক্স শ্রীমতী ইন্দিরা প্রাণাধিকাসু স্নেহ-উপহার এনেছি রে দিতে লিখেও এনেছি দু-তিন ছত্তর।সম্পূর্ণ
ওগো আমার এই জীবনের শেষ পরিপূর্ণতা,মরণ, আমার মরণ, তুমি কও আমারে কথা।সারা জনম তোমার লাগিপ্রতিদিনসম্পূর্ণ
দূর হতে কী শুনিস মৃত্যুর গর্জন, ওরে দীন, ওরে উদাসীন– ওই ক্রন্দনের কলরোল, লক্ষসম্পূর্ণ
পাশ দিয়ে গেল চলি চকিতের প্রায়,অঞ্চলের প্রান্তখানি ঠেকে গেল গায়,শুধু দেখা গেল তার আধখানি পাশ,শিহরিসম্পূর্ণ
দিবস যদি সাঙ্গ হল, না যদি গাহে পাখি,ক্লান্ত বায়ু না যদি আর চলে–এবার তবে গভীরসম্পূর্ণ
শেষের মধ্যে অশেষ আছে,এই কথাটি মনেআজকে আমার গানের শেষেজাগছে ক্ষণে ক্ষণে।সুর গিয়েছে থেমে তবুথামতে যেনসম্পূর্ণ
আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে । সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে । নিজেরেসম্পূর্ণ
আমি বহু বাসনায় প্রাণপণে চাই, বঞ্চিত করে বাঁচালে মোরে।এ কৃপা কঠোর সঞ্চিত মোরজীবন ভ‘রে।না চাহিতে মোরেসম্পূর্ণ
অন্তর মম বিকশিত করো অন্তরতর হে।নির্মল করো, উজ্জ্বল করো, সুন্দর কর হে। জাগ্রত করো, উদ্যত করো, নির্ভয় করো হে। মঙ্গল করো, নরলস নিঃসংশয়সম্পূর্ণ
প্রেমে প্রাণে গানে গন্ধে আলোকে পুলকেপ্লাবিত করিয়া নিখিল দ্যুলোক-ভূলোকে তোমার অমল অমৃত পড়িছে ঝরিয়া । দিকে দিকেসম্পূর্ণ
তুমি নব নব রূপে এসো প্রাণে ।এসো গন্ধে বরনে , এসো গানে । এসো অঙ্গে পুলকময় পরশে , এসো চিত্তেসম্পূর্ণ