স্বর্গে যাব বলে
স্বর্গে যাব বলে ***************** এখনই ছুঁয়ো না শেষ প্রান্তের হরিধ্বনী হলে তার আগে মাসের উপবাসসম্পূর্ণ
স্বর্গে যাব বলে ***************** এখনই ছুঁয়ো না শেষ প্রান্তের হরিধ্বনী হলে তার আগে মাসের উপবাসসম্পূর্ণ
আগুণ ফলেছে
– মল্লিকা রায়
আগুণের আঁচ, কি প্রদাহ উহ্
সয়ে যাওয়া শুধু
মূর্তি থেকে সহ্য খুঁজে নিয়ে
দু তিন শঙ্খ প্রদাহে
চন্নমেত্ত মাথাতে ছোঁওয়াই
দৌড়ঝাঁপ শিশু, ষাটের দোসর
নাহ্ হার্ডডিস্ক হার্টের
মধ্যবিত্ত টান, নারীবৃত্ত আহা !
সম্পূর্ণ
একটা আকাশ থাক শুধু
আর আমন্ত্রণ নয় , মুঠো মুঠো বিষাদ ছড়িয়ে
হুমড়ি খেয়ে পড়ি
একটা বিকেল দেবে আমায়
সন্ধ্যা হতে পারলাম না বলে
আমায় ক্ষমা কোর নক্ষত্ররা, কিছু বলার আছে
মধ্যযামে বলে যাব সবটাই
আজ নয় দূর থেকেই, হাওয়ায় তোমার
উড়ে যাচ্ছে ঘোমটা আর ঘরময়
লাল পেয়ে দাগটায় আমি
চেপে ধরেছি ফুলস্কেপ
যে কাগজে হাত চেপে দিয়েছিলে শৈশব
আজ তার ওপরেই তোমার গোটা
মূর্তিটা পরেছে ছবির আদলে।
শেষ হুইসেলটা বাজেনি এখনও
এই প্লাটফর্ম ছেড়ে চলে গেছে
যে যার মর্জিমতো –
একটা ছায়া পাক খাচ্ছে চতুর্দিকে
শনশন উড়ছে চৈত্রের হাওয়া, যাবার আগে
আমার সব দিয়ে যাব তোমায়
আমার কানটানা ঝুমকো , বেলোয়ারি চুড়ি
তিনশো ছেষট্টি শাড়ির দেরাজে
তেজপাতা রংয়ের শাড়িটাও – তুমি সাজো
সাজো তুমি |
আমি পৃষ্ঠা জুড়ে তোমার সুখের ছবিটা
আঁকতে চাই ভীষণ রকম |
সেই মোক্ষ পাই
মৃত্যু তামাশা থাক
ক্ষয় ক্ষতি আরও। প্রতি পলে
খসে যাক গ্রন্থিছাপ, রক্তগ্রুপ পূর্বাপর
এ ঘোর কলি নৈরাজ্য স্থলে
নিবেদিত শ্বাসটুক সত্যি শুধু, এস নাও
পেতে দাও নিসর্গ আঁচল
নর আর নারী হই প্রাগ ও প্রাচীন
ধ্বংসের অশ্রুতলে আবারো ঐহিক
কাঙ্খিত শিশু চাই
ভবিতব্য দেব ওকে,দৈর্ঘ্য প্রস্ত মেপে
সম্পূর্ণ
তাকে বুঝি নিয়েছে কাঁকড়ে
বালি চাপা মাসী হয়
উপবৃত্ত হয়ে দিয়েছে ঝুলিয়ে, ব্রম্মছাপ জঠর গাদায়
সম্পূর্ণ
হে আমার তাপিত জীবন
অমরত্ব নিতে গিয়ে
আমি শেষে পথভ্রষ্ট, কোন্ গলি যাব
শেষ চুমুক দিয়ে অনন্ত শয্যা
নিল যে যুবক, একবার দেখি
মোহগ্রস্ত কতটুক
স্বপ্নমুখ ছুঁইয়ে সে কি আর
অমনি তাকায় – !
সে কি মায়ামৃগ তৃষাভ্রম
কোন উন্মাদনার কথা লিখি –
ভল্লায় চোখ রেখে নিস্ফল
এ গূঢ় তীর পিঙ্গল সুর্মা ভেদ করে
আমাকেই বিধর্মী করে বারংবার –
অব্যর্থ এ ক্ষত কোথায় লুকোই বলো !
অত:পর সংঘর্ষে
নিখোঁজ হল চলযান
ক্ষত জুড়ে নির্লিপ্ত উকিঁঝুকি
সম্পূর্ণ
বেশ লাগে এই উত্তাপে পিঠ রেখে চাঁদের মুখে সোনা রোদের খেলা পোড়ায় যারা নাগর কিংবাসম্পূর্ণ
মেলে ধরেছে পাখায় ,এখুনি হীরেফুলে
ঝড়াবে আগুণ – বাড়িয়ে দিলাম
যতটুক সুধাগন্ধ ছিল দিকশূণ্যপুরে
আবছায়ে ঠাহর হয়নি ঠিক্
কে যে ছিল বৈধুর্য্য রত্ন নিয়ে, আমিও প্রবাল
সন্তরণ বলো কতদূর
এসেছি দু জনা, প্রবাল মাছেরাসম্পূর্ণ
গড়ে ওঠা অভ্যেসটাকে
আছড়ে দুমড়ে মুড়িয়ে পাল্টে
দেওয়া হল –
নিষেধাজ্ঞার নোটিশ টাঙিয়ে
রাখা হল রুটিনের
পাশাপাশি, যাপন শেষের
পরিক্রমাগুলো রইল
আক্ষেপের বিষয়ভুক্ত হয়ে !সম্পূর্ণ
বেনী খুলে নীড়ে এস চারু
আঁচাড়ের ডাঁশা আমে ঝড়ের ভাঙণ
তুলে নাও কোচর ‘ পূবালী মেঘের
ঘনঘোর ঝঞ্ঝার ছোপ ‘ ধোঁওয়া ঠেলে
শিঙা ফুকো মেয়ে ‘ চড়চড়ে ভাতে
ছুঁয়ে দাও জন্মের আঁতর
এস ফিরে ঘরে __
হেমের চাদরে বোনো ফুলে
শাড়ি বুটি কাপড়ে কুরুশ, দু’ কলি ছত্র শেখো
গুনগুন সুরের কোলাজ ‘ দাও খুলে
কেশের বাহার ‘ খেলা রেখে শিঙা ছোঁও
পেটে এই ঘূর্ণি তরাস ! ভাত দাও
পাতে ওর ‘ ব্যামো লাগা মেয়ের
পাঁজর। ভাত দাও একরাশ
নীড়ে এসে চারু __