একটা প্রশ্ন
বিবেক বৃক্ষ থেকে ছিঁড়ে ক’টা ফুল ভালোবেসে এক সুহৃদ দিয়েছিলো আমাকে। বিশ্বাসের সফেদ বসনে মুড়িয়েসম্পূর্ণ
বিবেক বৃক্ষ থেকে ছিঁড়ে ক’টা ফুল ভালোবেসে এক সুহৃদ দিয়েছিলো আমাকে। বিশ্বাসের সফেদ বসনে মুড়িয়েসম্পূর্ণ
আমি) ভাববো না নিরুপমা! নিন্দার ঘাতে জেগে উঠা ব্যথা শুধু রাখো তুমি জমা! নীরব নিশীথেসম্পূর্ণ
খেঁক শিয়ালের ভীষণ অসুখ সুড়সুড়ি পায় কাঁকে, বার্তা পেলো নেংটি ইঁদুর হুক্কি হুয়া ডাকে। বাঁদরসম্পূর্ণ
সদ্য ফোটা সুবাসিত গোলাপ পাপড়ির মোহনীয় কোমলতা পারেনি এ হৃদয় টলাতে! পারেনি ষোড়শির আলতা রাঙাসম্পূর্ণ
কিছু ক্রন্দন বাতাসে শুকায় কিছু অতি শোক টুটে, কিছু ক্রন্দন নিভৃতে লড়ে ঢলে পড়ে করপুটে।সম্পূর্ণ
আমার মনের বাঞ্ছারা বাস গড়তে চাইতো চাঁদে, বারণ করলে শুনতো কি কেউ – ডাকতো বরংসম্পূর্ণ
সতেজ সরষে ফুল ঢেকে বাঁকা আল, সহ্য করবে শত ফড়িং এর চাল। দোয়েল বাজায়ে শিসসম্পূর্ণ
তোমার নামের দাও গো সুধা অধম দাসের অন্তরে – ডাকি বসে আরশি নগর বন্দরে! নীড়সম্পূর্ণ
ছলা কলা যদি বাঁধনের বুকে আড়েও বেলাজে ঘুরে, সম্ভব হলে আপনাকে যেচো শাসনে তা থেকেসম্পূর্ণ
’তাল নিবে কে তাল ভাদ্র মাসের তাল, এই তো পাওয়া এক্কেবারে সদ্য পাকা মাল!’ বুঝছিসম্পূর্ণ
সুজল গাঁয়ে সবুজ গাছের আড়ে নিত্তি গড়ে কুটুম নীরদ ভেলা, চৌদিকে তার পুকুর ডোবার ধারেসম্পূর্ণ
আকাশের নীল আছে মেঘেরাও শুভ্র বিবর্ণ চিত্তের ধরা, তৃষ্ণার্ত দু’চক্ষু তাই নিরালায় দ্যাখে বহ্নিমান চৈতীসম্পূর্ণ