জিন্জিরা প্রাসাদ
জিঞ্জিরা প্রাসাদ শ্রুতিমেঘ জলের সম্বিতে ছুঁয়েছে মনের লগি বিরান স্নায়ুতে দোল খায় শৈশবের দিন টোপাপানাসম্পূর্ণ
অদৃশ্য বন্ধন
বিগলিত প্রেমিকার রূপন্তী সৌষ্ঠব যেন হেমন্তের গান পবিত্র বেদনা নিয়ে বিদগ্ধ দুপুরে জ্বলে গভীর নির্জনসম্পূর্ণ
পাথর ও কাঁদে
পাথর ও কাঁদে কোন কোন অবেলায় কতটা শক্ত হবো বল কোজাগরী রাহু? দুঃখের এই সৌধসম্পূর্ণ
নিহত এক মুখ
সময়ের ভেংচিতে
বিদ্রুপ হয়ে তেড়ে আসে যার
অতীতের প্রেম; তার কাছে মৃত্যুস্বাদ
নতুন এক অভিজ্ঞতা মাত্র।
মুছে যাওয়া চোখে হারিয়ে গেছে যার পথ
আয়ুর সীমানা তার বিফল পাযের কসরত।সম্পূর্ণ
দুঃখ রে তোর
দু:খ রে তোর গভীর প্রণয় রোদ্রে ধুয়ে নিস দু:খ রে তোর ভ্যাপসা তাপে ঘুরছি অহর্নিশ।সম্পূর্ণ
রাতের তল্লাট
সলাজ ক্ষারিকা বুঝি ধুয়েছে আকাশ!
বিশাখার পাশে যেন বসে অগণন
সারিকার হাতভরা সম্মোহনী কাশ
মিটিমিটি ঢেলে যায় গণিকার মন।
মানুষের বেশে বুঝি পৃথিবীর হাটে
স্বাতী তারা এসে যায় রাতের তল্লাটে।
সম্পূর্ণ
বড় হও দেবদারু
বড় হও দেবদারু, পিপাসার ঘ্রাণে
ছায়া বেয়ে চলে এসে পথ ভোলা রাতে
কুয়াশায়– দেখে যাব আগামী অগ্রাণে
সাবিত্রীর চকচকে কালো ফুটপাতে।
মৌয়ালী মদিরা মেখে জ্যোৎস্নায় ভেসে
অতীতের কুহুতান ঘনায় যখন
ময়ূরাক্ষী বাতাসের হীমদহি শ্বাসে
ফুঁকে যাবো অক্ষবাটে উদাসীন মন।
গাঢ় হও দেবদারু, অশরীরী মাঠে
ছায়ামনে তরুতল রোদের সারস
অয়োময় নারীনৃপ ঝুমুরের ঠাটে
রেখে গেছে যাপনের বিবমিষা কষ।
সলতের চোখ বেঁধে বিদেহী আগুন
নুনের নাগাল পেতে করে যায় খুন।সম্পূর্ণ
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
যতদিন এ দেশ হবে না লীন
ততদিন তুমি বাঁচবে-
মহান অশ্রুজলে কত প্রেমিক
বাতাসে তোমায় খুঁজবে
মিটাতে তব ভালবাসার ঋণ।
প্রাতস্মরণীয় হয়েছে সবার
অপরাজিতা দেবী বুদ্ধা-
হার না মেনে দিলে আত্নহূতি
এক লৌহমানবী যুদ্ধা
অমর প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার।সম্পূর্ণ
জল দুয়ারা
জলদুয়ারায় বাঁধছে হৃদয় কাম
ভাড়া নদী ভুলে জলের নাচন আঁকে
পল্লবীনির বুক পাঁজরের খাম
লিখছে অসুখ রতিরাত্রির বাঁকে।
শ্রান্ত সোহাগ পরকীয়ার পাতায়
আঁকছে কেমন নগ্নতার আধুলি
ভুত কামনায় প্রেমের দেহ হাতায়
নিষিদ্ধ সুখ চেনায় আঁধার গলি।
জলদুয়ারায় সংসার ভেসে চলে
ভাসছে শাবক জলদুয়ারার জলে।সম্পূর্ণ
সেই শিশু বোধ
সেই শিশুবোধ নিয়ে পৃথিরীর পথে এক পরাজিত কবি
এলোমেলো চলা তার, ঝোলাভরা ঘৃণা দিয়ে
পুড়ায় করবী।
সম্পূর্ণ
অচল প্রেমের পদ্য – ০৫
তোমার হাতে দিয়েছিলাম অথৈ সম্ভাবনা তুমি কি আর অসাধারণ? তোমার যে যন্ত্রনা খুব মামুলী, বেশসম্পূর্ণ
