অথচ, লাশের মিছিলেও নিছক শান্তি খুঁজি,
রক্তগঙ্গায় ভেসে যেতে যেতেও স্বপ্ন আঁকি।
চোখের সামনে সমুদ্র, বাতাসও বড্ড তেজি,
ঘোর অমাবস্যা, নীরব হারিয়ে যাওয়াই বাকি!সম্পূর্ণ

আধমরা আত্মা মাহাত্ম্যের সুখ খুঁজে ফিরে-
একবার, আরেকবার, বারবার বেঁচে উঠুক।
বেজে উঠুক আরেকবার তাকবীরের রবে নীরব ঠোঁট,
নিস্তেজ ধমনী, ঝরে যাক খোলসের আবরণ।
ঢলে পড়ুক বুকের ব্যাসার্ধে কলুষের মরণ।সম্পূর্ণ

লাভ ক্ষতির নথি নেই, রত্তি তিল, ওসব বেশ অসহন অকহন, ঝুট ঝঞ্ঝাট,
নেশা নেই, পেশা নেই, সুখ সাফল্য বিফলে সব, সবই তো মিথ্যে বানোয়াট।
প্রায়শ্চিত্ত যতো এখানেই হোক, যতো ভুল পাহাড় তুল, যতো অপরাধ যুক্ত,
প্রভু, পাপ-পূণ্য ভোলে দয়ার দুয়ার খুলে করো ক্ষমা, পরপারে করো মুক্ত।সম্পূর্ণ

এই জলে দু’পা ডুবিয়ে তারা গুনতে গুনতে যান্ত্রিক পৃথিবীর কলহ কোলাহল ভুলে যাবো।
অকস্মাৎ আকাশ ভেঙে যদি কোনো তারা ধসেখসে পড়ে, জলের শব্দে সলীল সমাধি নিবো।সম্পূর্ণ

অশ্রু রক্ত ঝরে, খালি করে মায়ের বুক, নিজ ভিটে-বাড়ি ছাড়া, আশ্রয়হীন স্বজনহারা।
মমীর দেশে শেষে মানুষ নেই যেনো গগনবিদারী চিৎকার শুনবে কেউ আল-আক্বসার!সম্পূর্ণ

তুমি ক্ষমা করো না এই বেঈমানির, মুনাফেকির, দালালীর,
আত্মঘাতী বিশ্বাসঘাতকের দল।
তুমি দল মলে পায়, ভাই পুড়িয়ে ছারখার করো ছাই,
যতো ঘাতকের দল, লেবাসধারী মুনাফেক সকল।সম্পূর্ণ

অন্ধকার যখন রাতটাকে গাঢ় আচ্ছন্ন করে,
আকাশটাও আস্তে আস্তে আরো বিশাল হয়ে উঠে,
নক্ষত্ররা ধীরে ধীরে আরো বেশি ঔজ্জ্বল্য পায়,
চারিদিক সুনসান নীরবতার আভিজাত্যে ভরে উঠে।
দুঃখরা তখন যেনো ভেতর থেকে জেগে উঠে,সম্পূর্ণ

আজকে যেসব শব্দ দিয়ে এলোপাতাড়ি আমাকে আঘাত করেছো,
আমি সেসব শব্দ কয়েকটি টুকরো কাগজে লাল নীল কালিতে লিখে-
একটি টিনের বয়ামে পুরে তোমাদের বাগানে পুঁতে দিয়ে এসেছি।
একদিন, কোনো একদিন হুট করেই তোমাদের কোদালের আঘাতে
ঐ বয়াম ভেঙে যাবে, তোমাদেরই ঘামে ভিজে যাবে ঐসব শব্দগুলো।সম্পূর্ণ

ডাকনামে ডাক হাঁকার মুখগুলো লোকগুলো মানুষগুলো হারিয়ে যায়-
দিনদিন, নিজ নিজ নিখোঁজ হয়ে যায় অজানায়।
মুখগুলো লোকগুলো মানুষগুলো!
যেনো কেমন ধীরে ধীরে মরীচিকা, অচেনা মরুভূমির বিভ্রম প্রান্তর।সম্পূর্ণ

ধুয়ে দিল দুনিয়ার ছুঁয়ো না হার, নুয়ে পড়ো না, ক্ষয়ে যেয়ো না, বসে পড়ো না ভয়ে।
ঝড় ঝঞ্ঝা দুর্ভোগ দুর্যোগ আসুক যতো, বীর তুমি, ইস্পাত কঠিন, যাও এগিয়ে।
তছনছ করে দিতে চায় শতো সহস্র শহীদের রক্তার্জিত নবীজির সাজানো সে বাগান।সম্পূর্ণ