মৃত পিরামিড জীবন্ত মানুষদেরকে খোঁজে
দুরন্ত আলোর গতিপথে।
মিশরে যাওয়ার সমস্ত পথ থেমে গেছে
তবুও সময়ের স্রোতে পিরামিড বহমান:-
উজ্জ্বল নক্ষত্রের পত্তনে
লিখা হয়েছিল ইতিহাস শহরের চত্বরে
নীল ডায়েরির পাতাকে ছিঁড়ে নিয়ে।
সম্পূর্ণ

মৃত্যুর ভিতর থেকে জাগিয়া উঠিবো
যে দেনা ছিল আমার অতীতে
সেই দেনা দেবো চুকিয়ে।
“তারপর”
–ঠিক তারপর সমস্ত রাত্রি
ঝরিয়া যাবো নীরবে।।
ঝরিয়া যাবো নীল বাংলার প্রান্তরে।।

সম্পূর্ণ

তোমায় জানাবো আলাপ আমার
নয়তো হাজারো অন্যকিছু-
কী জানাবো প্রায়শ্চিত্ত না প্রণাম,
তোমার কাছে অন্যকিছু
ফিরায়ে দিও অপমানকে আবার।
তোমার আমার নিত্য বিরোধ
নতুন নতুন পরিচয়:-
আকাশ আবার পড়লো খসে
হৃদয় আমার বাঁধন টেনে মরে।সম্পূর্ণ

যেখানে স্বপ্ন আকাশ ছোঁয়
সেথা মৃত্যুর সীমানা অনায়াসে
বঞ্চিত সীমানার পাহাড় থেকে
নীলনদের গভীরতা মাপা হয়।

পিরামিডের গা বেয়ে নেমে আসে
আশার এক পরিপূর্ণ বাতাস
মৃত্যুর রেখা হতে গভীর নিশানা
সেই মৃত্যুকেই ছুঁতে চাই।সম্পূর্ণ

সে আমার হতে চাইনি
সভ্যতার হাতে তাজা খুনের রহস্য
রক্ত পিপাসার সন্নিকটে।
আসক্ত বুকের পাঁজর ভাঙ্গার পর
বহু বছর পর আবার দাঁড়িয়েছি উঠে আমি
যদি পিছন থেকে কেউ আমারে ডাকে!
সূর্য নক্ষত্র রাত্রি শুকায়ে যাবে মরণের মুঠোয়
চেয়ে চেয়ে শতাব্দীর অভিযোগে।সম্পূর্ণ

বাসনা পূর্ণতা আমার অনুভবে
চোখ বুজে গভীর অন্ধকারে রূপসী বাংলা
হয়তো জীবনানন্দের বনলতা সেন এসেছিল
আমার কবিতার পাতায়:-
আমার প্রিয়তমা কে একবার দেখতে।
যুগের পর যুগ এভাবেই বহমান
অস্তিত্ব রক্ষায় তাগিদে বন্দীশালায় যেতে হয়
মরুভূমির জীবনে মিশরের পিরামিডে।।

সম্পূর্ণ

তুমি আমার কল্পনার প্রিয়তমা হয়েছিলে
হয়েছিল ব্যস্ত শহরের অপ্সরা প্রেমের নারী
তারপর সারারাত্রি হয়েছিল পরিচয়
আকাশের এক ফালি অর্ধচন্দ্রের উপস্থিতিতে।সম্পূর্ণ

মেঘেরা দূর থেকে বহুদূরে চলে যায়
সে আজও ফেরে না!
আবহকাল শেষ হয় তারই অপেক্ষায় থেকে থেকে
শতাব্দী থেকে শতাব্দী গুনে গুনে।
তারপর একটি শেষের রাত্রি নামে
আমি হারিয়ে যায় সেদিন থেকে,
মিশরের পিরামিডের সমাধি
আমারে ডাকে ‘শূন্য’ খাঁচা পূরণ করতে।।
সম্পূর্ণ

একদিন শুধু তোমাকে
হেমন্তের শিশির ভেজা সকালে
সোনালি রোদ্দুরে নেমে ছিলে
নীরব আলাপের পরিচয়ে।
এভাবেই কেটে গেল লক্ষ মানুষের হৃদয়
রক্ত ঝরলো হৃদয়ের গভীর থেকে গভীরে,
জীবন ক্ষ’য় হলো
তুমি দূরে গেলে প্রিয়তমা
আমাকে দূর কফিনে বন্দী করে।
সম্পূর্ণ