নীল ডায়েরির কবিতা ২
ক্ষ’য়ে যাবো আমি
আর ক্ষয়ে যাবে নক্ষত্রের হৃদয়
সে ফিরবে দেখা হবে না আর
নীরবে ঝরবে রাত্রি শাশ্বত জগৎ মাঝে।
সম্পূর্ণ
কলেজ জীবন নতুবা মাজদিয়া
আমার উপলব্ধিতে জেগে ওঠে
লক্ষ যুগের স্তব্ধ হয়ে যাওয়া ভাবনা
কেননা এখনো আমরা ছাএ
মানুষের কাহিনীর ভিড়ে বিন্দুমাত্র আলো।সম্পূর্ণ
নীল বাংলার সামনাসামনি
মৃত্যুর ভিতর থেকে জাগিয়া উঠিবো
যে দেনা ছিল আমার অতীতে
সেই দেনা দেবো চুকিয়ে।
“তারপর”
–ঠিক তারপর সমস্ত রাত্রি
ঝরিয়া যাবো নীরবে।।
ঝরিয়া যাবো নীল বাংলার প্রান্তরে।।
প্রিয়তমাসু
তোমায় জানাবো আলাপ আমার
নয়তো হাজারো অন্যকিছু-
কী জানাবো প্রায়শ্চিত্ত না প্রণাম,
তোমার কাছে অন্যকিছু
ফিরায়ে দিও অপমানকে আবার।
তোমার আমার নিত্য বিরোধ
নতুন নতুন পরিচয়:-
আকাশ আবার পড়লো খসে
হৃদয় আমার বাঁধন টেনে মরে।সম্পূর্ণ
মৃত্যুর সীমানা
যেখানে স্বপ্ন আকাশ ছোঁয়
সেথা মৃত্যুর সীমানা অনায়াসে
বঞ্চিত সীমানার পাহাড় থেকে
নীলনদের গভীরতা মাপা হয়।
পিরামিডের গা বেয়ে নেমে আসে
আশার এক পরিপূর্ণ বাতাস
মৃত্যুর রেখা হতে গভীর নিশানা
সেই মৃত্যুকেই ছুঁতে চাই।সম্পূর্ণ
সে আমার হতে চাইনি
সে আমার হতে চাইনি
সভ্যতার হাতে তাজা খুনের রহস্য
রক্ত পিপাসার সন্নিকটে।
আসক্ত বুকের পাঁজর ভাঙ্গার পর
বহু বছর পর আবার দাঁড়িয়েছি উঠে আমি
যদি পিছন থেকে কেউ আমারে ডাকে!
সূর্য নক্ষত্র রাত্রি শুকায়ে যাবে মরণের মুঠোয়
চেয়ে চেয়ে শতাব্দীর অভিযোগে।সম্পূর্ণ
অপেক্ষা
বাসনা পূর্ণতা আমার অনুভবে
চোখ বুজে গভীর অন্ধকারে রূপসী বাংলা
হয়তো জীবনানন্দের বনলতা সেন এসেছিল
আমার কবিতার পাতায়:-
আমার প্রিয়তমা কে একবার দেখতে।
যুগের পর যুগ এভাবেই বহমান
অস্তিত্ব রক্ষায় তাগিদে বন্দীশালায় যেতে হয়
মরুভূমির জীবনে মিশরের পিরামিডে।।
কবি ও কবিতা
তুমি আমার কল্পনার প্রিয়তমা হয়েছিলে
হয়েছিল ব্যস্ত শহরের অপ্সরা প্রেমের নারী
তারপর সারারাত্রি হয়েছিল পরিচয়
আকাশের এক ফালি অর্ধচন্দ্রের উপস্থিতিতে।সম্পূর্ণ
গ্রামের পথে
দীর্ঘদিনের গভীর আশা
থাকতো যদি একটা পরী
চেয়ে নিতাম একটা ইচ্ছা আমি
দীর্ঘদিনের বাঁচার আয়ু।সম্পূর্ণ
একদিন শুধু তোমাকে
একদিন শুধু তোমাকে
হেমন্তের শিশির ভেজা সকালে
সোনালি রোদ্দুরে নেমে ছিলে
নীরব আলাপের পরিচয়ে।
এভাবেই কেটে গেল লক্ষ মানুষের হৃদয়
রক্ত ঝরলো হৃদয়ের গভীর থেকে গভীরে,
জীবন ক্ষ’য় হলো
তুমি দূরে গেলে প্রিয়তমা
আমাকে দূর কফিনে বন্দী করে।
সম্পূর্ণ
