ধুপকাঠি বেচতে বেচতে
ধুপকাঠি বেচতে বেচতে কতদুর যেতে পারে একাকী মানুষ?তাকে তো পেরোতে হবে বহু বন, বহু অগ্নিসম্পূর্ণ
ধুপকাঠি বেচতে বেচতে কতদুর যেতে পারে একাকী মানুষ?তাকে তো পেরোতে হবে বহু বন, বহু অগ্নিসম্পূর্ণ
সবুজ পাতায় প্রথম মাখালে চুনআট-পহরের ঘাঁটা বিছানায় ধপ ধপে সাদা চাদরতারপর সেই সাদা চাদরে জাঁতিকাটাসম্পূর্ণ
হে স্বচ্ছন্দ তরুলতা, তোমরা রয়েছ বলে আছি।চামচিকের নাচানাচি গাঢ়তর করেছে আঁধারকোলাব্যাঙ জেনে গেছে তার হাতেসম্পূর্ণ
সেই পদ্মপাতাখানি ছুঁয়ে আছি তবু।যতই ফুঁ দাও ঝড়ে নেভাতে পারবে নামোমের আগুন। এত ভূল করসম্পূর্ণ
আমরা কথা বলি ভিতরে ঢুকে পড়ে কার যেন ঠাণ্ডা হাত। আমরা বলি শাক সবজির মতোসম্পূর্ণ
বিশাখা একি! এ যে সারা জ্বলছে উনোন! চোখে যেন অগ্নিবৃষ্টি হয়েছে কখন, পুড়ে লাল ঠোটসম্পূর্ণ
তুমি যখন শাড়ির আড়াল থেকেশরীরের জ্যোৎস্নাকে একটু একটু করে খুলছিলে,পর্দা সরে গিয়ে অকস্মাৎ এক আলোকিতসম্পূর্ণ
ফুলের আলোয় রাঙা দিগন্তে দুয়ারহীন ছুটেঅভ্রের কুচির মতো সফলতা মাটি থেকে খুঁটেঅমল-বরণ রাতে সকল অমরাবতীসম্পূর্ণ
জন্মমুহূর্তে বীজের চোখে যেই নামল বৃক্ষের স্বপ্নঅমনি দ্বিখন্ডিত।আবখানা নেমে গেল মাটির তিমিরেশিকড়আধখানা রয়ে গেল মাটিরসম্পূর্ণ
আহা! এই পৃথিবীতে উজ্জীবিত কত না সুন্দরকত না সুন্দর এই পৃথিবীর অথৈ হৃদয়,সূর্যোদয়ে কত শোভাসম্পূর্ণ
দু’জন খসখসে সবুজ উর্দিপরা সিপাহী কবিকে নিয়ে গেল টানতে টানতে কবি প্রশ্ন করলেন : আমারসম্পূর্ণ