অপাংক্তেয় শাড়ী
বসন্ত এলো বলে তোমাকে বললাম, শাড়ি পড়ো। টকটকে লাল শাড়ি, যেখানে ডুবে যাবে আমার পুর্বাপর,সম্পূর্ণ
বসন্ত এলো বলে তোমাকে বললাম, শাড়ি পড়ো। টকটকে লাল শাড়ি, যেখানে ডুবে যাবে আমার পুর্বাপর,সম্পূর্ণ
অঙ্কের পরীক্ষায় বন্ধুর খাতায় উঁকিঝুঁকি- টেনেটুনে ব্যর্থ বত্রিশ। আর্জু’র ঠোঁটে এই প্রথম- আমার দুটো ঠোঁট;একসম্পূর্ণ
নতুন কাঠ পেন্সিলের গন্ধে স্মৃতিগুলো হৃদয়ে জেগে উঠেবাবার শ্রুতলিপিতে গড়ে উঠা একটি একটি অক্ষর মিলেসম্পূর্ণ
পৃথিবীর সমস্ত খানকির পোলা ঘুমিয়ে গেলে আমি একটি সিগারেটের পুটকিতে নির্বিঘ্নে চুমু এঁকে দিতে পারতাম!সম্পূর্ণ
রুদ্রের সাথে বেশ্যালয়ে বসে, নিকোটিনে গাঁজা মাখাতে মাখাতে, কখন তাকে ভালোবেসে ফেললাম-তা ইশ্বর জানে। অতিরিক্তসম্পূর্ণ
দেবী, তোমাকে লিখছি, মেট্রোরেলের আগমনবার্তায়। ক্যামন আছো? প্রশ্নটি করা উচিৎ হয়নি কারণ তুমিতো ভালোই থাকো।সম্পূর্ণ
অনুভবের মনপুকুরে একসময় শৈবালধরেছিলো পিচ্ছিল ছিল তার ঘাটের সিঁড়ি,অবুঝ মনে বুঝের বড্ড অভাবী কান্না ছিলএকাকীত্বসম্পূর্ণ
তোমার বক্ষ মাস্তুলে যতবার কবিতা লিখেছিততবার একটি অক্ষর হারিয়ে গেছে নতুনত্বেএকটি প্রতীক হারিয়েছে অক্ষরসাথী হয়ে,তোমারসম্পূর্ণ
অবসরের ডানাহীন পাখির দুঃখ কেউ বুঝেনিচেয়েছিল ডানাযুক্ত পাখির মত কর্মযুক্ত জীবন,ডানাহীন পাখিটি স্বপ্নহীন দুর্বিষহ মানচিত্রেসম্পূর্ণ
তুই কি আমার ভাতার হবি?ভাতের ভাতার? জাতের ভাতার?মধ্যরাতের আগুন যখনটগবগিয়ে জ্বলবে তখনমনের ভাতার? দেহের ভাতার?সম্পূর্ণ
অতন্দ্র নিশ্চল রাতের আঁধার,দুহাতে সাঁতরিয়েও ভোর হয় নাঅচেতনাবস্হায় মুখের উপর তুমিই ঝুঁকে ছিলেকানে কানে ডেকেছোসম্পূর্ণ
আক্রান্ত পাখির মতো ঘুরে ঘুরে বিপুল রোদনেচিত্রাঙ্গাদার কন্ঠে এই আর্ত গান।একি শুধু নাটমঞ্চে ক্ষণিকের খণ্ডদৃশ্যসম্পূর্ণ