ঈশ্বর আর প্রেমিকের সংলাপ
— ‘সে যদি তোমাকে অগ্নিতে ফেলে মারে?’ বিনা চেষ্টায় মরে যাব একেবারে — ‘সে যদিসম্পূর্ণ
দ্বাদশ জন্মের ঋণ- ৫৪
আমি এখানে কয়েকশত শতাব্দির বন্দি সমস্ত মুগ্ধতা লুট করে একজন সম্পূর্ণা লীলা ম্যাডাম কালো অবয়বেসম্পূর্ণ
তোমাকে আর সহ্য হয় না!
আমার বাড়ির ঘুলঘুলিতে একটা চড়ুই ভালোবেসে ঘর বাঁধলে- তোমাকে আর সহ্য হয় না! একটা হলুদসম্পূর্ণ
তোমারে দ্যাখতাছি শুধু
তোমারে দ্যাখতাছি! কেমনে কেমনে চোখের সামনে বড় হয়া যাইতাছো! কেমনে কেমনে চুল ছাইড়া হাঁটতাছো! বিকাল’রেসম্পূর্ণ
বিক্ষোভের মত, প্রিয়
ইদানীং প্রায়শই প্রেমিকের মতো তোমাকে দেখে আমি ঘুমিয়ে পড়ি। প্রতিদিন ইলেক্ট্রিক শক নেবার পর, মনেসম্পূর্ণ
হলদে-সাদা হাসি
তোমার বুকের রেস্তোরাঁয় মুখ গুঁজে আমি- শুনি হাসিরা খলখল বয়ে যায়- ক্যামন বিশুদ্ধ হলুদ সাদাসম্পূর্ণ
এভাবে আর হয়না জয়ন্ত
এভাবে আর হয়না জয়ন্ত, আমাকে বরং সস্তা কোন ব্রোথেলে বিক্রি করে দাও, অথবা মুক্তি দাও।সম্পূর্ণ
প্রেমিকেরা প্রেমিকারা
প্রেমিকেরা একদিন স্বামী হয় । স্বামীরা তারপর আর প্রেমিক থাকে না । অথচ ওমলেট খায়সম্পূর্ণ
আঁধার বিষয়ে
যে বিকেলে জ্বর আসে সেই বিকেলের মতো তুমি এসে দাঁড়িয়ে রয়েছো। ঘড়ির ভেতর দিয়ে রক্তেরসম্পূর্ণ
আঠাশে মে আমার জীবনের
আঠাশে মে, আমার জীবনের সুন্দরতম দিন হও তুমি এই সাতাশে মে-র সন্ধেবেলা আমি অন্ধকারে বসেসম্পূর্ণ
চৌ-রাস্তায় দাঁড়িয়ে আমরা চারজন
‘এদিকে স্বর্গের পথ’ — বলে একচক্ষু নারী হঠাৎ হারিয়ে গেল— চৌ-রাস্তায় দাঁড়িয়ে আমরা চারজন হেসেসম্পূর্ণ












