মৃতের মাতৃমঙ্গল
দু’চোখের পাথর ছিদ্র করে গড়িয়ে পড়ে জলপৃথিবীর প্রাচীন কবরেহায়! এ-আনন্দধারায় আমিও জেনে যাই- বর্ষা এসেছে,সম্পূর্ণ
দু’চোখের পাথর ছিদ্র করে গড়িয়ে পড়ে জলপৃথিবীর প্রাচীন কবরেহায়! এ-আনন্দধারায় আমিও জেনে যাই- বর্ষা এসেছে,সম্পূর্ণ
দরজা খুলে দেখিনি মায়ারোদ্দুর উজ্জ্বল হাসে তোমার আগুনমুখ জল রঙে আঁকা অনাদৃত হাসি আর বেওয়ারিশসম্পূর্ণ
নরকের বুকে ডেকেছি অবরোধ ;সকল দ্বার শিকলে তালাবদ্ধ। হাসনাহেনা জানে আমায় ;কুয়াশার ক্ষীণ শব্দসম্পূর্ণ
আমি যে দেশকে দেখি সে কি এই স্বপ্নভূমি থেকে জেগে ওঠাবহুদূরব্যাপী কল্লোলিত, সে কি রূপসনাতনসেসম্পূর্ণ
প্রেমিকার মুখ বরফের মতো সাদা হয়ে আসে- তুষারের মতো অবিকল, ফ্যানাফ্যানা। হাতে করি- নিয়ে যাইসম্পূর্ণ
আঁখবনে ছায়া নড়ে।মধ্যরাত দুলে ওঠে শীতের বাতাসে। ছায়া নড়ে- এতোরাতে কার ছায়া? কুয়াশায় কাঁপে কারসম্পূর্ণ
শরতের কুয়াশা স্নিগ্ধ সন্ধ্যায়তোমাকে চাই— আরো কাছে,আরো কাছে পেতে চাই! শিশির ছুঁয়া ঘাসে আঁচল বিছাও,আঁচলেসম্পূর্ণ
ধানক্ষেতগুলো শীতের কুয়াশায় ন্যাড়া হয়ে গেলে-হাসনাহেনা ঝোঁপ থেকে কোনো এক পাখি-ডাক দিয়ে ওঠে-কোকিল!নাহ কোকিলেরা এখনোসম্পূর্ণ
এসো, ভুলে যাও তোমার সব ভাবনা, তোমার টাকার ভাবনা, স্বাস্থের ভাবনা, এর পর কী হবে, এরসম্পূর্ণ