| কবিতা | ল্যাভা প্যানকেকস অ্যান্ড কসমিকক্যান্ডি |
| কবি | অভিলাষ মাহমুদ |
| সময় | সন্ধ্যা, ১৮ টা |
| উৎসর্গ | সৎ রাজনৈতিক ব্যক্তি। |
| লিখার স্থান | নিজগৃহ, বলির হাট ১৮ বাকলিয়া , চট্টগ্রাম। |
| সম্পৃক্ততা | রাজনৈতিক |
| কবিতার বিষয় | প্রতিবাদ, রাজনৈতিক, রূপক |
গ্রহ উল্টে পড়ে কসমিক ব্যালরুমে,
শাইনিং চশমার ফাঁক দিয়ে জোকার দেখে বলে—টুডেই লাভলি ল্যাভা প্যানকেকস!
অডিয়েন্স লাফায়, বিষ্ময়কর ফ্লটিং নোটবুকের দিকে দৃষ্টি মেলে,
উড়ুক্কু কাঠবিড়ালি খুঁজে পায় ফিজিক্স অব হিউ-হা-হা-হা-হা-হা 😁।
ম্যাজিসিয়ানের ছুঁড়ে দেয়া ওল্টানো চটি হয়ে যায় টিয়া পাখি!
নিয়ন আলো ঝলমল করে ফ্রডি ফ্ল্যাশে।
উল্টে যায় মুকুট, ঘুরে যায় কার্ড,
গরীবের হাতে লো-স্পিড টিকিট, অপরাধীর হাতে হিউমারের ম্যানিফেস্টো।
মিস মুন হাসতে হাসতে বলে—এই তো কোয়ান্টাম হ্যাটট্রিক।
সুন্দরী সারমেয় বুঝাতে চায়—আমি চাই ফ্ল্যাশি ডার্ক ম্যাটার।
ফানুস ওড়ে যায়, ঝলমল করে ইরনি রিফ্লেকশন,
চলে অহোরাত্র সত্যি মিথ্যার খুনসুটি।
বাগানের মুমূর্ষু গোলাপটি হাসি মেশানো চিৎকারে বলে—মুখোশ ছিটকে পড়েছে উত্তরে!
নক্ষত্র গেছে থমকে, বাতাস শুনতে পায় আকাশের ফিসফিসানি,
আশার ফ্রিকোয়েন্সি মিলিয়ে যায় শুন্যে।
জাদুকর বলে—“যতদিন না তুমি নিজের ভিতরের কোড চালাও,
এই সার্কাসে সবই থাকবে শুধু খেলার সিমুলেশন।”
গ্রহেরা ডান দিকে ঘুরে হ্যাঁকার দেয়, বামদিকে হেসে লাফ দেয়,
ফ্যান্টম ফিশগুলো ঝাঁপিয়ে পড়ে জলধনুকের পেছনে, “ওহ, জাম্পিং জেলিফিশ!”
ফ্লিপার ফ্ল্যাম্বো জিগজ্যাগ করে নাচে,
নিয়ন বাতাসে উড়ে যায় গগলস অব মিউজিক,
রহস্যময়ী টকটক করে কোড,
সার্কাসের ছাদে ঝুলছে কসমিক চকলেট চেইন।
মরুভূমির মুরগি হেসে বলে—“কোয়ান্টাম ওমলেট রেডি!”
টুইঙ্কল ট্রাম্পেট বাজে,
ফুল ফেটে পড়ে হাসির কনফেটি,
গরম বাতাসে উড়ে যায় ইরনি ফ্ল্যাশ।
জোকার বলে—হ্যালো, ল্যাভা প্যানকেকস আবার ফ্লিপিং মোডে!
ফানুস নাচে, ছায়ার সঙ্গে খেলায়,
মুকুট উল্টে যায়, শাপলা উড়ে যায়,
ফিজিক্স অব হিউ-হা-হা-হা রাইট টু দ্য রেসকিউ।
নক্ষত্রগুলো ডান্স করে, সূর্য ক্ল্যাপ করে,
অন্ধকার ঝলসে ওঠে হাসির লাইটবাল্বে,
মহাজাগতিক গোলাপটি ফিসফিস করে—সবার কোড ডিবাগ হয়ে গেছে!
জাদুকর বললো—এখানে খেলা শেষ হবে, কিন্তু স্বপ্ন চলবে অনন্তকাল।
ফ্ল্যাফি ক্লাউডরা স্যালুট করে,
ল্যাভা প্যানকেক উড়ে যায় ভোরের দিকে,
অদ্ভুত, ঝলমলে, হিউমার-মিশ্র কসমিক সার্কাসে,
সবই একটানা, সবই একটি ল্যাভা-লাইট স্টোরি।
জোকারের নাক লাল হয়ে ঝলসে ওঠে,
তারা নাচে, ফ্রক নেচে, ল্যাভা প্যানকেকে চুম্বন দেয়।
মিনি মুন হাওয়ায় ভেসে যায়, ওহ, আরও হিউমার ফ্ল্যাশ!
ফ্যানুসগুলো হেসে বলে—কোড লুকানো আছে বেলুনের ভেতরে!
ফ্ল্যাম্বয়েন্ট ফ্লিপার হাটতে হাটতে বললো—এবার সিমুলেশন রিমিক্স!
জাদুকরের হ্যালো দিয়ে উঠল ল্যাভা লাইট।
সার্কাসের মঞ্চে ঝলমল করে কসমিক চকোলেট রেইন,
ফ্ল্যাফি ক্লাউড হেসে বলল—এখানে কেউ নিখুঁত, কেউ পরিপূর্ণ নয়,
আমরা সবাই তবুও সুর মিলাই হাসির কোরাসে।
কসমিক রোজ ফিসফিসে হাসিতে বলে—সার্কাস শুধু খেলা নয়,
এটা কোড, রূপকথা আর স্বপ্নের মিলন।
ফ্লিপিং জেলিফিশ নাচতে নাচতে বলে—হিউমার সব জায়গায় রাজা!
নক্ষত্রগুলো ঝলমল করে, জোকার নাচে,
ফ্ল্যাফি ক্লাউডস ফিসফিসিয়ে জানায়— সবাইকে স্বাগত, এখানে চলে কেবল হাসাহাসি!
কোনো একসময় শেষ হয়ে যায় ম্যাজিসিয়ানের কোড,
তবে চলতে থাকে ল্যাভা লাইটের স্টোরি।
প্রতিটি প্যানকেক ওড়ে যায় নক্ষত্রের পথে,
আর সার্কাসে হিউমার ঝরে পড়ে রাতের আকাশে।
নিয়ন আলো ঝলমল করে ফ্রডি ফ্ল্যাশে,
ফ্লিপিং জেলিফিশ নাচে, ওড়ে যায় ল্যাভা প্যানকেক,
মাইক্রো-ফ্রিকোয়েন্সি হাসি ছড়ায়,
এটাই কসমিক সার্কাসের চিরন্তন রহস্য।