| কবিতা | কেমন সমাজ / ঘাতকের বেশে |
| কবি | মল্লিকা রায় |
| সময় | সকাল |
| কবিতার বিষয় | প্রতিবাদ, ভারতবর্ষ, রাজনৈতিক |
কেমন সমাজ
বহু চেনা সব অচেনার মত স্পন্দনহীন যত
নিভিয়ে দিয়েছে আলো,পাষাণ ভূমের ছল
সেখানে আঁধার ছত্র, বুঁনোঝোপ কত শত
ছেয়েছে অযথা বিচ্ছেদ,সব ক্ষিন্ন শিশুর দল।
নিভিয়ে দেউটি কখন,চলে গেছে উৎসব
মানেনি আজও অযথা টুকড়ো সমাজ প্রথা
আলো জ্বেলেছিল সেই কন্ঠে মৌন স্তব
স্তিমিত আগুণে লেখা,রয়ে গেছে সে বারতা !
ভাঙা প্রাসাদের এই কথাদের ঝনঝনি
ফেলে রাখা আছে কিছু অতৃপ্ত আত্মারা
থেকে থেকে হাহারব জাগতিক হানাহানি
খুড়ছে অতীত শুধুই মৃতের পরম্পরা !
মেলাতে শেখেনি শব্দের ,ছান্দিক আভরণ
পুড়ে গেছে ছাই ভস্মে, বাতাসের ঘূর্ণি
অরাজগ ভস্মের অহেতুক জনগন
নিভে গেছে শেষ সন্ধ্যায় ক্ষুৎকাতরের বহ্নি!
অরণ্যের হাতছানি মেলেনিকো পথহারা
বলেছিল কেউ কবে স্মৃতির ওধারে মেলে
হন্যে হয়েছে রাতের অগনিত বর্ণেরা
সেসব অপাংতেরা পায়নি আলোক জ্বেলে !
২] ঘাতকের বেশে
গুপ্ত ঘাতকের মত মিশে আছে যারা
সময় অর্বুদে
এক একটি ক্ষতের রিপোর্ট নিয়ে চলে
অন্তিম প্রহরের ব্যাবচ্ছেদ
মার্জিত খুব আচ্ছাদনের মত
জ্বালা নেই, খুলে যায় বারংবার তবু
রসরক্ত পূঁজের মতন,ঘৃণার অঞ্চল
ক্ষমার্হ অতিথির
অকস্মাৎ বমন উচ্ছাস।
একি সে-ই কথার শহরে জাল বোনা
উর্ধবাহু মেয়ে ? লালপাড় পূজার থালাটি
মৃদুহাস্যে কল্লোলিত ধারা
জন্মে তবু মনে হয় বৃথা যেন গর্ভের ভেতর।
বলো কত পূণ্য কতটুক ক্ষমার্ঘ্য বেদনা
রেখে গেছ এ প্রদেশ জুড়ে
বাটার থালাটি কেন খালি কতটুক অন্নভোগ সাজা
মানচিত্র খুঁজে গেছ শুধু
দেখনি অতীত পৃষ্ঠাভারে জর্জরিত
জান্তব জীবন ,বোঝনি কখনও
রাহু কেতু অর্ধভূখ চাঁদ কেন তাতে ঘোর আঁধার
প্রজ্ঞালব্ধ চটুল বালিকা পালক ছড়াও
ঠিক ছিল ততটুকই
ঘাতকের বেশে
কেন পারি দিলে বল অক্ষর সভায় ?