| কবিতা | গল্প বুড়োর দেশে |
| কবি | আজিজুল হক |
| উৎসর্গ | দেশ প্রেমিকদের |
| লিখার স্থান | কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ, ভারতবর্ষ |
| কবিতার বিষয় | জীবনমুখী, প্রকৃতি, প্রতিবাদ, প্রেম, বিরহ, ভারতবর্ষ, রাজনৈতিক, সমসাময়িক |
গল্প বুড়োরা আজ আর বাস করে না আমাদের মাঝে!
ব্যাঙমা ব্যাঙ্গমিরাও অভিযোজন করতে না পেরে এখন বুঝি বাস করে তেপান্তরে!
তবুও আমরাই টিকে আছি মানুষ নামের বেহুস
দুর্গন্ধ যুক্ত কিছু প্রাণী!
কবিতা লিখি,পদ্মা গঙ্গার ধারে,
ভগীরথ টা বড্ড বোকা বটে !
মানুষের রক্ত দিয়ে ইতিহাস লিখতে পারেনি সে,
আসলে শিবের তর্জন গর্জন মানুষেরা তোয়াক্কা করেনি মোটেই!
বিবেকানন্দের বিশ্বজয় বাঙালি হৃদয় স্পর্শ করেনি
সেদিন!
রোকেয়া আজও পেলো না তার সন্মান!
তবুও বাঙালি বুক ফুলিয়ে চায়ের দোকান গরম করে!
ভাবুক বাঙালি কাগজে কলমে মনুষ্যত্বের বড়াই করে.
আমি প্রেমিকার হৃদয়ে কবিতাকে কবর দেই!
ওগুলো আবর্জনা বটে!
স্বামী ছাড়া খেমতির মা রোজ বাসা বাড়িতে কাজের নামে বাবুদের বেনজরে ধর্ষিত হয় রোজ,
ওরা ভদ্দর লোক বটে!
ব্যাঙমা ব্যাঙ্গমিরা ভাগ্যিস নেই আজ !
নইলে কাটমানির ধাক্কায় সুনুব্রতের আজীবন হাজতবাস হতই..
এ যাত্রায় হয়তো দিল্লি ফেরত কিছু বার্তায়
রেশনের চাল কিংবা গম মিলতেও পারে,
আসলে খেলাটা দেবে আর নেবের!
তুমি আমি ভাগের মা !
চল তেপান্তরেই যাই,
নিদেন পক্ষে ওখানে কবিতা নেই,কবি নেই,বুদ্ধিজীবী নামের বদজীবিরা নেই!
ওখানে কোনো সেটিং নেই..
আছে শুধু নির্বিষ নিঃসঙ্গতা!
কিছুদিন না হয় দিবা নিদ্রা ভেঙে রবীন্দ্রনাথ আর নজরুলের দুটো হাত এক করে দেই..
গালাগালি গলাগলি তে না হয় পরিণত হল!
-----