কবিতা নি:শব্দ অভিসার
কবি মল্লিকা রায়
সময় ৭ মিনিট
উৎসর্গ নিজেদের
লিখার স্থান বাসভবনে
সম্পৃক্ততা জীবনবোধের
কবিতার বিষয় অন্যান্য, জীবনমুখী
Review This Poem

জনপদের সবকটি শ্লোক জ্বেলে দাও
বর্ণ কাঁকড়ের সবকটি আলজিভ মুড়ে দাও
বিবর্ণ পথসভার মাঝ থেকে
সরিয়ে নাও মুখগুলি দাবী দাওয়ার অন্ত:সার গলিতে
নুইয়ে নুইয়ে ছুড়ে দাও অপচয়ের শেষ সীমান্তে
অপভ্রংশ থালাগুলি নিয়ে বসে দাও
হাঙরের পাশাপাশি, ঝুঁকে দাও বাকি এক তৃতীয়াংশ
হৃদশব্দে যেন কুন্ডলি পাকিয়ে মাছগুলি
জড়োসড়ো হয়ে থাকে ভয়ে, ছেড়ে দাও অজীর্ণ
জীবাণু খুব কাছাকাছি থালার
বাতাসের আঁতাতে যেন সহস্রাংশ মনোক্সাইড
ঝাঁঝড়া করে দিতে পারে শব্দ তৈরির ওই যন্ত্রাংশ
কেড়ে নাও সবকটি পোষ্য
তাদের পায়ে মোড়া সবটা জাতধর্ম
শিকারের জান্তব উল্লাসে ছিন্নভিন্ন হোক পৈতৃক
সবকটি বৃহদন্ত্র, ছিটিয়ে দাও
আরেক থালায়, ঝুঁকে পরা প্রত্যন্ত মুখগুলির
তদন্ত সরিয়ে ফেলা হোক, গত জন্মের
গর্ভাকোষে। রং তুলি ফোকাশ নিয়ে রেডি, এখন দৃশ্যান্তর
মুছে ফেলা হয়েছে খুঁচে নেওয়া ক্যামেরার
কর্নিয়া প্লাজমা একফোটা তথ্য নেই কোথাও
চোখ জুড়ে ভাস্কর্যের কারু, দৃশ্য আছে অথচ দৃষ্টি নেই
ভেঙে দেওয়া হোক সাজানো সুদৃশ্য —-
থ্যাতলানো জিহ্বার লালায় ছড়িয়ে যাক
ল্যান্ড ল্যান্ড ধ্বংসাবশেষ।
ভাঙা দাঁতের সারি সরিয়ে খিঁচড়ে নেওয়া হোক
এক একটি দেশ কালের যোগসূত্র
চোয়ালগুলো ব্যবধিত হতে হতে হতে শেষ গোলার্ধ
থেকে তুলে আনুক এক আলোকবর্ষ দূরত্বের
মুছে দেওয়া পৃষ্ঠাগুলি , যেখানে চারটি শব্দ
লেখা আছে আনুক তুলে !!

guest
0 Comments
Newest
Oldest Most Voted