| কবিতা | সমাধান (রম্য) |
| কবি | বোরহানুল ইসলাম লিটন |
| সময় | ১৪ এপ্রিল, ২০২৩ইং। |
| লিখার স্থান | পাঁচুপুর, আত্রাই, নওগাঁ। |
| কবিতার বিষয় | অন্যান্য |
শুধায় জিউস দেব-দেবীদের অলিম্পাসে ডাকি,
মাংস ও মাছ লাগাম ছাড়া বলুন উপায় টা কি!
এমনি ভাবে চলতে দিলে আর ক’ বছর যেতে,
আঁশ পাবে না অনেক লোকই চাইলে শখে খেতে।
হেডিস উঠে বললো হুজুর শক্তি দিলে শিরে,
পৌঁছতে পারি এক দু’মাসেই রেজাল্ট নিয়ে ফিরে।
খুশি হলেন রাজা জিউস শুনে এহেন আশা,
হুকুম দিলেন তাই তবে হোক বক্ষে রেখো ভাষা।
মাস না যেতেই খবর এলো সূর্য তখন পাটে,
মাংস ও মাছ পচছে নাকি ক্রেতা কমে হাটে।
কিনছে না সেও আস্থা রেখে যেচে দিলে স্মরি,
ডাকলেন জিউস এই কে আছিস আন না তারে ধরি!
খানিক বাদেই হেডিস এসে বললো দিয়ে দেখা,
কই কি হুজুর হ্যাক করেছি সবার ললাট রেখা।
লিখছি তাতে মিথ্যা কথায় হলেই যে কেউ খুশি,
তক্খনি তার জিভের ডগায় উঠবে ক্ষত ফুঁসি।
আর করবে যে পরের গীবত ফেলে হৃদের মানা,
থাকবে না তার দন্ত মুখে যতোই খুঁজুক পানাহ।
বললেন শুনে ব্যস্ত জিউস মুখের কথা কেড়ে,
বদ্যি ওঝার দাম তবে আজ যায়নি কেন বেড়ে?
দেয় সে জবাব জিভের ব্যথায় জ্বর যে ওদের তিনে,
চায় কে বা কন ঠকতে যেচে গুল্লি মদক কিনে।
গর্বে হেসে জানায় জিউস সব তো আমি জানি,
তোমার মতো কেউ কি আছে আর এ’ সভায় জ্ঞানী!