কেউ জানে না
পরলোকে চলে যাওয়ার অভিমানে প্রেমহীনতার গণ্ডি ছেড়ে-
কেউ জানে না প্রয়াতদের মিছিল আমার আকুঞ্চিত সত্তা নাড়ে।
কেউ জানে না কোলাহলে বিষাদ আমার আরও বাড়ে নিয়ম করে,
সুদ-মুনাফার নিয়ম মেনে দিনগুনা ঋণ শেষ না হলেও নতুন কোনো ভোরের পরে-
তোমার আমার স্বপ্নঘেরা জীবননদী হঠাৎ যেন শুকিয়ে মরে,
কেউ জানে না, কেউ থাকে না নিজের পরম ‘আপন’ বলে।
শব্দহীন চেতনা
মানুষ যখন বিস্তর প্রশ্নের ইতিহাস আর অজানা উত্তরের দর্শন পড়ে ক্লান্ত হয়,
তখন সহজ সূত্র মিলে যাওয়া বিজ্ঞানকেই ঈশ্বর ভেবে প্রশান্তি পায়।সম্পূর্ণ
খুঁজে ফিরি
মিষ্টি সকালে শুদ্ধ রোদে
দেখি বুনো ফুল,
ও দয়াময় ক্ষমা করো
আমার অনেক ভুল।
সম্পূর্ণ
বৃষ্টিশখ ফুরিয়ে গেলে
তোমার চুলের ঘ্রাণ;
নিবিড় সে অন্তপ্রাণ-
আমার মতোন করে কেউ পাবে না!সম্পূর্ণ
লোকটাকে ঝুলিয়ে দেওয়া যেতে পারে!
সাংঘাতিক লোকটা আসলে কালাজাদু তন্ত্রমন্ত্র জানে –
খালি কথা বলেই দিনকে রাত – আর রাতকে দিন করে –
মানে একঘর লোকের সামনে নির্লজ্জের মতো
একেবারে ঘোর নির্জলা অমাবস্যাকে পূর্ণিমা বলে চালিয়ে দিতে পারে !সম্পূর্ণ
গণতান্ত্রিক জীবন রুদ্র
বছরের-পর-বছর, সহস্র বছর শতাব্দীর কোণে লেখা থাকে আমাদের না পাওয়ার দুঃখ,
আমাদের ভোটে কেউ নির্বাচিত হয় না, আমাদের ভোট আমাদের জোট অনেকটা নিঃস্ব পড়ে রয় ভালোবাসার পরিত্যক্ত ডাকবক্সে।
সম্পূর্ণ
জীবনের শেষ প্রান্তে
ভালো থেকো অনিবার্য নিয়তি
আশ্বাস নামক উপহাস
জীবন ও যৌবন
এবং আমার আত্মজ কবিতা ও বিশ্বাস !সম্পূর্ণ
চেনা স্পর্শ-অচেনা মানুষ
চেনা স্পর্শ – অচেনা মানুষ ©আজিজুল হক সময়ের সঙ্গে আমার একটা অদ্ভুত মিল, চেনা সম্পর্কসম্পূর্ণ
স্তব্ধ সময়
আমার একটিবার পা কাটার সাধ,
রক্ত দেখার সাধ নিজের।
প্রথম বইয়ের প্রচ্ছদে মাখাবো বলে।
সম্পূর্ণ
ঈশ্বরীর গল্প – অথবা একটি রূপ কথার মৃত্যু
*ঈশ্বরীর গল্প – অথবা একটি রূপকথার মৃত্যু* ©আজিজুল হক তোমাদের আমি ঘেন্না করি, তোমরা মিথ্যেসম্পূর্ণ