আমি আরও শক্তিহীন হয়ে বনে যাই-
অতিথিশালায় অভ্যাগত অক্সিজেনের সমষ্টি কেবল।
তোমরা ধূমকেতুকে তাড়িয়ে পৃথিবীকে সূর্যমুখী তেল দিয়ে ভেজে খেতে থাকো।সম্পূর্ণ

পরলোকে চলে যাওয়ার অভিমানে প্রেমহীনতার গণ্ডি ছেড়ে-
কেউ জানে না প্রয়াতদের মিছিল আমার আকুঞ্চিত সত্তা নাড়ে।
কেউ জানে না কোলাহলে বিষাদ আমার আরও বাড়ে নিয়ম করে,
সুদ-মুনাফার নিয়ম মেনে দিনগুনা ঋণ শেষ না হলেও নতুন কোনো ভোরের পরে-
তোমার আমার স্বপ্নঘেরা জীবননদী হঠাৎ যেন শুকিয়ে মরে,
কেউ জানে না, কেউ থাকে না নিজের পরম ‘আপন’ বলে।

সম্পূর্ণ

মানুষ যখন বিস্তর প্রশ্নের ইতিহাস আর অজানা উত্তরের দর্শন পড়ে ক্লান্ত হয়,
তখন সহজ সূত্র মিলে যাওয়া বিজ্ঞানকেই ঈশ্বর ভেবে প্রশান্তি পায়।সম্পূর্ণ

সাংঘাতিক লোকটা আসলে কালাজাদু তন্ত্রমন্ত্র জানে –
খালি কথা বলেই দিনকে রাত – আর রাতকে দিন করে –
মানে একঘর লোকের সামনে নির্লজ্জের মতো
একেবারে ঘোর নির্জলা অমাবস্যাকে পূর্ণিমা বলে চালিয়ে দিতে পারে !সম্পূর্ণ

বছরের-পর-বছর, সহস্র বছর শতাব্দীর কোণে লেখা থাকে আমাদের না পাওয়ার দুঃখ,
আমাদের ভোটে কেউ নির্বাচিত হয় না, আমাদের ভোট আমাদের জোট অনেকটা নিঃস্ব পড়ে রয় ভালোবাসার পরিত্যক্ত ডাকবক্সে।
সম্পূর্ণ