জল দুয়ারা
জলদুয়ারায় বাঁধছে হৃদয় কাম
ভাড়া নদী ভুলে জলের নাচন আঁকে
পল্লবীনির বুক পাঁজরের খাম
লিখছে অসুখ রতিরাত্রির বাঁকে।
শ্রান্ত সোহাগ পরকীয়ার পাতায়
আঁকছে কেমন নগ্নতার আধুলি
ভুত কামনায় প্রেমের দেহ হাতায়
নিষিদ্ধ সুখ চেনায় আঁধার গলি।
জলদুয়ারায় সংসার ভেসে চলে
ভাসছে শাবক জলদুয়ারার জলে।সম্পূর্ণ
সেই শিশু বোধ
সেই শিশুবোধ নিয়ে পৃথিরীর পথে এক পরাজিত কবি
এলোমেলো চলা তার, ঝোলাভরা ঘৃণা দিয়ে
পুড়ায় করবী।
সম্পূর্ণ
বনেদি বিহার
যদি বলো ফিরে যাই এই নষ্ট ভোরের আলোহীন আঁধারে
তামাটে ত্বকের গন্ধ ছেড়ে যদি এবার পালাই মানুষের নরকে সম্পূর্ণ
চলে যেতে চাই
আমি তোমার থেকে অনেক দূরে যেতে চাই,ততটা দূরে।
যতটা হলে তোমার বিপদ দেখলেই দৌড়ে না আসা যায়।সম্পূর্ণ
নিখোঁজ হৃদয়
তারপর, অনেক অপূর্ণতা নিয়ে একদিন আমি চিরনিদ্রায়। মৃত্যুটা স্বাভাবিক নাকি অস্বাভাবিক , সেটা ঘেঁটে দেখতেসম্পূর্ণ
অকৃতজ্ঞ মানুষ
মানুষ ভুলে যায় শেকড়, চেষ্টার থেকে প্রাপ্তি বেশি হলে প্রকৃতিও শোধ নিতে ছাড়েনা, জেনো,অহংকার পতনেরসম্পূর্ণ
বিপ্লব
সুদিন বেহাত ঐতিহাসিক গাথা গাঁথার প্রাক্কালেই,
তবু, আশা-নিরাশার দ্বৈত মৌলের মহাকাশযানে-
লিখা থাকে বিপ্লব পরবর্তী প্রেমের কথা, বিপ্লব শেষে তোমার সাথে সংসার।
সমযোজী না আয়নিক-
কোন মানবিক বাঁধুনিতে জন্ম নিবে মীমাংসিত বিপ্লবের শিশু?
যদিও মানবতা নিখোঁজ হয়ে গেছে সেই কারবালার ক্রন্দনে-
অনেক- অনেক আগে,
ফোরাতের স্রোত তা জানে।
সম্পূর্ণ
জীবন বোধকরি এমনি
কোনটা জীবন অর্জুন?
অজস্র সময়?
নাকি সহস্র কাজের মাঝে আমাদের একটুখানি প্রেম !সম্পূর্ণ
শূন্যতার স্রোত
প্রতিটা শূন্যতার ভেতর, নিবিড় স্রোত আছে। ওতে ভেসে বেড়ানো যায়। কখনও কখনও নিজেকে নিয়ে, নিজেরসম্পূর্ণ