আফ্রিকান ড্রাগন মুরগি ও ঘাতকদের জরা দৃশ্যের সমীকরণ
৫৪ জঙ্ঘা বিশিষ্ট থলথলে আফ্রিকান টেস্টটিউব থেকে বেরিয়ে আসা ড্রাগন মুরগি , ক্রুশ কাঠের অপরাধীসম্পূর্ণ
রূপক অর্থে লিখা কবিতাসমূহ
৫৪ জঙ্ঘা বিশিষ্ট থলথলে আফ্রিকান টেস্টটিউব থেকে বেরিয়ে আসা ড্রাগন মুরগি , ক্রুশ কাঠের অপরাধীসম্পূর্ণ
সুখের জোস্না অনেক দুরে যদি পড়ে ধরা আলোয় আলোয় স্নাত তুমি মধুর জীবন খানা সুখেরসম্পূর্ণ
বিগলিত প্রেমিকার রূপন্তী সৌষ্ঠব যেন হেমন্তের গান পবিত্র বেদনা নিয়ে বিদগ্ধ দুপুরে জ্বলে গভীর নির্জনসম্পূর্ণ
পাথর ও কাঁদে কোন কোন অবেলায় কতটা শক্ত হবো বল কোজাগরী রাহু? দুঃখের এই সৌধসম্পূর্ণ
এহ্ কি বিচ্ছিরি গন্ধ, দম বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম। সে’কি আমি তো এই মাত্রই মারাসম্পূর্ণ
সময়ের ভেংচিতে
বিদ্রুপ হয়ে তেড়ে আসে যার
অতীতের প্রেম; তার কাছে মৃত্যুস্বাদ
নতুন এক অভিজ্ঞতা মাত্র।
মুছে যাওয়া চোখে হারিয়ে গেছে যার পথ
আয়ুর সীমানা তার বিফল পাযের কসরত।সম্পূর্ণ
দু:খ রে তোর গভীর প্রণয় রোদ্রে ধুয়ে নিস দু:খ রে তোর ভ্যাপসা তাপে ঘুরছি অহর্নিশ।সম্পূর্ণ
সলাজ ক্ষারিকা বুঝি ধুয়েছে আকাশ!
বিশাখার পাশে যেন বসে অগণন
সারিকার হাতভরা সম্মোহনী কাশ
মিটিমিটি ঢেলে যায় গণিকার মন।
মানুষের বেশে বুঝি পৃথিবীর হাটে
স্বাতী তারা এসে যায় রাতের তল্লাটে।
সম্পূর্ণ
বড় হও দেবদারু, পিপাসার ঘ্রাণে
ছায়া বেয়ে চলে এসে পথ ভোলা রাতে
কুয়াশায়– দেখে যাব আগামী অগ্রাণে
সাবিত্রীর চকচকে কালো ফুটপাতে।
মৌয়ালী মদিরা মেখে জ্যোৎস্নায় ভেসে
অতীতের কুহুতান ঘনায় যখন
ময়ূরাক্ষী বাতাসের হীমদহি শ্বাসে
ফুঁকে যাবো অক্ষবাটে উদাসীন মন।
গাঢ় হও দেবদারু, অশরীরী মাঠে
ছায়ামনে তরুতল রোদের সারস
অয়োময় নারীনৃপ ঝুমুরের ঠাটে
রেখে গেছে যাপনের বিবমিষা কষ।
সলতের চোখ বেঁধে বিদেহী আগুন
নুনের নাগাল পেতে করে যায় খুন।সম্পূর্ণ
আশ্বিনের দমকা হাওয়ায়, শরৎ এর বৃষ্টি মোর হাতে এ কেমন শীতল পরশ, মন ছিল অনেককালসম্পূর্ণ
একটা নিঃসঙ্গ রাত আমার সঙ্গে নির্ঘুম কাটে তার.. আকাশের নক্ষত্র আর চাঁদের কলঙ্ক গুলো আলোসম্পূর্ণ
সীমাবদ্ধতার বেড়াজাল পেরিয়ে তুমি, তোমার নিজস্ব একটা জগৎ তৈরী করে নাও। তোমার নিজের ভেতর জেগেসম্পূর্ণ