সেদিন অজস্র বিলাপধ্বনিতে আকাশ থেকে বৃষ্টিধারার মতো ঝরে পড়লো অভিশাপ
আমাদের হাঁড় মজ্জায় লেগে গেছে কলংকের কালো তিলক।
রাজরক্তের স্রোত এক প্রবাহমান নদীর মতো ভাসতে ভাসতে
সর্বত্র-ছড়িয়ে দিয়েছিলো দীর্ঘ শোক ও দুঃখযাত্রা!সম্পূর্ণ

ক্ষুধার অভিশাপ মুছে দিতে তোমার সঙ্গমমন্ত্র নিরলস ঐশ্বর্য বিলিয়েছে…
ইতোমধ্যেই পাড়ার সমস্ত ইঁদুর মরে গিয়ে উৎপাতহীন,
স্পন্দমান এক নতুন পৃথিবীর ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। সম্পূর্ণ

দ্রুত বদলে যাচ্ছে পৃথিবীর রূপ-যৌবন
চিরন্তন বেদনার কলরবে মুছে যাবে
রূপান্তরের হাট। শব সাধনায় ক্রমেই
স্পষ্ট হতে থাকে অশরীরি আত্মার পদধ্বনি।
সম্পূর্ণ

পড়ো। পতনপ্রেক্ষায় ছায়া রেখে
আমাদের উত্তেজিত করো
সমুদ্রের পুনর্ভরঙ্গ ফিরিয়ে আনলে তুমি
বিশ্বস্ত শ্বাস আগুন জ্বালাবে

আমরা কোনো পূর্বতন মার্জনা করবো না।সম্পূর্ণ

রিত্যাগ লাঞ্ছিত অবমাননা
দীর্ঘ মুহূর্তে হারিয়ে যায় সব রাতের তারা
পথ খুঁজে পায় না যোগ্য অধিকারে।
দোআঁশ মাটির গন্ধ বিষাক্ত সারের তেজ
উপযুক্ত বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে চারিপাশে
মনে হয় নিতান্ত কাল ধরে আমি তাই চেয়েছি
এই পৃথিবীর বিষণ্ণ দুপুরে রোদ আর মেঘের মেলামেশা।

অজস্র রজনীর দ্বার খুলে তিলোত্তমা নগরী ব্যস্ত বিশাল সমুদ্র আকাশ মরু বেদনা
সুশীর্ণ স্মরণে শোক থাকে না
মিথ্যা খেদ মানুষের মনে বিস্তার করে।

সম্পূর্ণ