ওরা শ্রমিক শুষে খায়
ব্যবসায়ী মানুষ গুলো এই বেকারত্ব দুনিয়ায় –
কিছু দুষ্টু মালিকের পদ পেয়েছে।
ইনভেস্টের অতীত ঘাঁটলে তার দেখা যায়!সম্পূর্ণ
প্রকৃতির প্রেমে পড়ে
গ্রীষ্মে যখন বায়ুর ছেঁকা,গা পুড়ল!
উড়তে আকাশ পানে;
পাখিরা সব দলে দলে স্নান করল..সম্পূর্ণ
আমি আণুবীক্ষণিক কবি
সাবধান হয়ে যাও বলছি, সাবধান……..
এসে গেছে কবি…. এসে গেছে…. প্রকট অন্যায়ের সমাধান
চারি পাশে পাপে জর্জরিত,দেখি ধ্বংসস্তূপের বাতাবরণসম্পূর্ণ
যমুনা কঙ্কাল দেহ
অডিটের ফাঁকে মনের উল্লাস খোরাক জোগাতে অডিটের বড় বাবুরা আমাদের ও সাথে সিরাজগঞ্জ জিরো পয়েন্টেসম্পূর্ণ
শ্রদ্ধায় নজরুল ২
যে কবিতায় নিশ্বাস নিই রোজ, যে কবিতার গাঁথি শব্দমালা সে কবিতায় নজরুল দিশারি আমার, সেসম্পূর্ণ
হিয়ার বেকার ছড়া !
যা কেনে, ছোট টেনে বিদ্যাবান –
সদ্য এই পদ্য কেউ হাসবি না
চারটে দুই, পাগলা তুই বুদ্ধিমান
পড়বি কিন্তু ভুলগুলো কেউ ধরবি না !সম্পূর্ণ
আসা-যাওয়ার মাঝে
প্রখররোদের পর পাখিরা নীড়ে ফেরার কথা বলছে
আর আমি দেখছি
একটা শুঁয়োপোকার আস্তে আস্তে প্রজাপতি হয়ে যাওয়া।
মনে হলো পাশের বাড়ির অপরাজিতা দেয়াল টপকে এসে পড়েছেসম্পূর্ণ
ঘুম থেকে উঠার আগে
কিন্তু চোখতো শূন্যে তাকিয়ে,বিষয়-বস্তু-জানা-আজনার বাইরে সেই ভাবলেশহীন দৃষ্টিতে ম্যাটেরিয়ালিষ্টিক বোধহীনতা।
সম্পূর্ণ
বৃষ্টি মানুষের একান্ত
মনে হলো সেই লোকটার হৃদয় স্বচ্ছ, বহুদূর থেকে শূন্যতার বিস্তার দেখা যাচ্ছে, সচ্ছ অথচ গভীর।
আসলে সেখানে অদ্ভুত নীরবতা ছাড়া আর কিছুই যেন নেই,
প্রবালের ভেতর চাঁদে আলো যখন নীলচে-সবুজ হয় ফিরে আসে
চুপিসারে সেই আলোয় দেখলে মনে হয় তার গভীরতার আন্দাজ করা যাবে।
অনেকটা জীবনানন্দের কমলালেবু হয়ে ফিরে আসার মতো হয়তো।সম্পূর্ণ
কস্তুরী কাঙাল
তাসের তুরুপে কেমন করে ছোঁ মারো অর্ধ গলিত সকাল
বিরহের অনলে পুড়েছে কস্তুরী কাঙাল—নিভৃত নখের অনটন
সম্পূর্ণ
এখানে শব্দেরা খেলা করে
এমন জীবন খেলা করে – জীবন বা শব্দের সমাহার
অনিবার,
খেলা করে – নিজেদের খেলা
আমি মোড় হয়ে থাকি, সারাখন,
ওরা খেলুড়ে !
যে জন খেলায় সেটা অন্য আমি – চিনি নি কখনো –
কিন্তু দিব্যি জানি, সে থাকে খেলা জুড়ে !সম্পূর্ণ