মা কালীর কবিতা
১. মৌচাকের মধু স্বাদে মধুময় কালী নাম জপলে মধুময়। মৌচাকের মধু পানে শান্তি আসে জঠরেসম্পূর্ণ
প্রান্তিক চাষি
এক চিলতে জমি লয়ে
করে কৃষি মন দিয়ে।
বীজ বপনে আসে দ্বন্দ্ব
মালিকের কথায় নাই যে ছন্দ।
কথার মাঝে ভালো মন্দ
তাতেই চাষি খোঁজে আনন্দ।
সম্পূর্ণ
রূপে নানা ভোল
রঙের শহর দেখতে হলে ঢাকা শহর যা, শহর জুড়ে আছে দেখবে সব মানুষের ছা॥ হরেকসম্পূর্ণ
রুপটা দেখে নয়
ভুল মানুষে দিলে হৃদয় কাঁদবে আজী/বন, দুখে কষ্টে কাটবে জীবন দগ্ধ হবে মন। মনটা দেবেসম্পূর্ণ
মতানৈক্য কেনো
আলেম জ্ঞানী ধার্মিক গণে রবের কথা বলে, কোরান বাণী হাদীস মেনে দ্বীনের পথে চলে। কোরানসম্পূর্ণ
চলো মোরা পাঠশালা যাই
চলো মোরা পাঠশালা যাই পড়া লেখা শেখি, পাঠশালাতে কী যে পড়ায় চলো যেয়ে দেখি। হাতটাসম্পূর্ণ
নাড়া মাঠের স্মৃতি
সকাল বেলা খেলার মাঠে যেতাম সবাই মিলে, মোদের সময় খেলার মাঠটা ছিলো ধানের বিলে। খেলারসম্পূর্ণ
সবার প্রিয় মুখ
সাতক্ষীরার তিন আসনে যে সবার প্রিয় মুখ, সাংসদ হইলে ডাঃ রুহুল হক থাকবে নাকো দুখ।সম্পূর্ণ
হেলাল হাফিজ
পাষাণের শহরে এসেছে যে
বিলিয়ে দিতে প্রেমের তাবিজ,
কি অমোঘ আশা নিয়ে হেঁটে চলে কবি
সুখের মোড়কে বপণ করে বিষাদের বীজ
এক হেলেনে ধ্বংস ট্রয়
আরেক হেলেনে- হেলাল হাফিজ!
সম্পূর্ণ
মাতৃহন্তক অভিশাপ
শেষ একটি রাতে, সিগারেটের মধ্যে অসুস্থতা কাটিয়ে, আমি, আমি কথক, আত্মহত্যা করে নিবো। প্রয়োজন নেইসম্পূর্ণ
কবিতা সুন্দরী
শুনো,
আমাকে তোমরা কেও আর মানুষ বলে পরিচয় দিও না,
আমি বেশ যোগ্য কবি এবং প্রেমিকের চরিত্রে।
আর শুনো,
মানুষ সৃষ্টির যেই শ্রেষ্ঠ-সৃষ্টি তাদের থেকে অনেক দূরে,
অন্তরে এবং শরীরে দুই রূপে।সম্পূর্ণ