সোমার সাক্ষাৎকারi
এক জোড়া দূরবীন চোখ তাকিয়ে আছেফুটপাতে বেরে ওঠা ঐ টং দোকানের পরে ,পড়নে তার ছেঁড়াসম্পূর্ণ
জীবনমুখী কবিতা সমূহ
এক জোড়া দূরবীন চোখ তাকিয়ে আছেফুটপাতে বেরে ওঠা ঐ টং দোকানের পরে ,পড়নে তার ছেঁড়াসম্পূর্ণ
আমার কাউকে মনে করার নেই,নেই কিচ্ছু মনে করাবার।আমি নিতান্ত অভ্যাসে, বদ-অভ্যাসেহাঁটি চেনা পথ।খুঁড়ে দেখি প্রাক্তনসম্পূর্ণ
শরতের কুয়াশা স্নিগ্ধ সন্ধ্যায়তোমাকে চাই— আরো কাছে,আরো কাছে পেতে চাই! শিশির ছুঁয়া ঘাসে আঁচল বিছাও,আঁচলেসম্পূর্ণ
শেষতক অনুজ্জ্বল পার্শ চরিত্রে পুরোদস্তুর অভিনয় শুরু করেএই নগরের কোলাহল শূন্য স্নিগ্ধ সকাল। ছিন্নমূল মানুষেরসম্পূর্ণ
আমরা যারা দিন আনি, দিন খাই,আমরা যারা হাজার হাজার দিন খেয়ে ফেলেছি,বৃষ্টির দিন, মেঘলা দিন,সম্পূর্ণ
আমি নিতান্ত গরীব ছিলাম, খুবই গরীব।আমার ক্ষুধার অন্ন ছিল না,আমার লজ্জা নিবারণের কাপড় ছিল না,আমারসম্পূর্ণ
জীবনের নদী সাঁতরে সাঁতরে পৌঁছে যাচ্ছি যন্ত্রণার সমুদ্রেঢেউয়ের চাবুকে চাবুকে উঠে যাচ্ছে পিঠের চামড়া;সাঁতার কাটছিসম্পূর্ণ