সোনার নগরী
কখনো ভেবেছি কিরাতের আকাশের চন্দ্রিমাকে লাগে কেনো এতো সুন্দর, থাকলে ঢাকা মেঘের আবরণে?মানব যখন যন্ত্রমানব,সম্পূর্ণ
জীবন যোদ্ধা
মুঠোফোনের বাঁশির সমনে ঘুম ভাঙে খুব ভোরেতেল চিটচিটে আকাশটা তাকিয়ে থাকে হা করে ;তখনও ক্লান্তিতাসম্পূর্ণ
দুঃস্বপ্ন দেখে
আমি এক স্বপ্ন দেখি,নদীর ওপারে একটি গ্রাম।দেখতে ভালই লাগে,সাঁতার কেটে যায় সেখানে। শুধু লাশের স্তুপসম্পূর্ণ
ক্ষুধার কথিকা
দু চার লাইনের কথিকায়আমায় প্রকাশ করা দায়!ক্ষোভ,ক্রোধ,বিষাদের যন্ত্রনায়,রোজ আমি হামাগুড়ি খায়! ছেটে পুটে খাচ্ছে ত্যাক্ততা,গ্রাসসম্পূর্ণ
মিছিল যেভাবে শুরু করতে হয়
ছেলেটা বললো, এভাবে চলতে পারে না, সবকিছু ভেঙ্গেচুরে যাচ্ছে,তার এক হাতে চায়ের কাপ, অন্য হাতেরসম্পূর্ণ
সুখরোবার – ছুটিবার
হে কবি, একাকীত্বে ডুবে আছে আমাদের রাত।সুখরোবার-ছুটিবারচাঁদের আলো গিলে নিচ্ছে অন্ধকারআসুন আমরা পানে উদ্বত হই;মেতেসম্পূর্ণ
হ্যালো এবঙ গুড বাই (শূণ্য দুই)
১. তুমি চলে যাচ্ছো-বুকের প’রে হেঁটে যাচ্ছোপায়ের নুপুরে আটকে নিয়ে আমার চোখ। তুমি চলে যাচ্ছো-হেঁটেসম্পূর্ণ











