শীতের স্নিগ্ধতা
**শীতের কুয়াশামাখা ভোর** কুয়াশার চাদর মোড়া শীতের ভোর শিশিরের বিন্দু বিন্দু চিকচিক করে ফোটে। গাছেরসম্পূর্ণ
**শীতের কুয়াশামাখা ভোর** কুয়াশার চাদর মোড়া শীতের ভোর শিশিরের বিন্দু বিন্দু চিকচিক করে ফোটে। গাছেরসম্পূর্ণ
ভালোবাসায় রক্ত ঝরানো আর বিচ্ছেদে রক্ত ঝরানো দুটো আলাদা। বিরহে রক্ত ঝরানো আর দুর্ঘটনায় রক্তসম্পূর্ণ
পাহাড়, তুমি দেখতে সুন্দর হলে কেন? পাহাড়, মেঘ তোমার কাছে ছুটে আসে কেন? পাহাড়, নদীসম্পূর্ণ
আমি যাচ্ছি গো সোনা
আমার কাব্যের পাখনা হয়ে
তোমার স্বপ্নের বাগানে-
ফুল হয়ে উঠবো ফুটে,
ছড়াবো মিষ্টি সুবাস –
তোমার কোমল পরশে।
সম্পূর্ণ
পাণি তুলে নিবে আকাশে
ইশারায় আঁকাবে নারসিসাস
ডুবে যাচ্ছে গভীরে,আরও গভীরে
সে আকাশের বেধও যতোটা নয়
ততোটা গভীরে।সম্পূর্ণ
পাণি তুলে নিবে আকাশে
ইশারায় আঁকাবে নারসিসাস
ডুবে যাচ্ছে গভীরে,আরও গভীরে
সে আকাশের বেধও যতোটা নয়
ততোটা গভীরে।সম্পূর্ণ
ভাঙা পুলের উপর আমরা প্রতিদিন –
আতঙ্কের জীবন হাতে যাওয়া আসা করি।সম্পূর্ণ
এইমাত্র গড়া নিঃস্বার্থ নীড়ে
আমি হাটু গেড়ে মানুষ হয়ে যাই
মানুষের মতো শরীর তবে
পশুর খাঁচা চাই।সম্পূর্ণ
প্রহর গুনি
—– প্রতাপ মণ্ডল
হেঁটে হেঁটে যাই, হাঁটে কিশোর, যুবক
এরপর ক্লান্তি, সাঁঝবেলা নামে,
জানিনা রাত্রিটা হবে কত ভয়ানক…!
রাতটা ফুরোবে না এক ঘুমে।
কত ভাবনায় মন অস্থির, তোলপাড়
বইতে শুরু করেছে শীতের বাতাস,
খসখসে চামড়া ভেদ করে ছোঁয় জার
মাঝে মাঝে হাঁ করে নিই শ্বাস।
সময় অভাবী, কার কাছে করি দাবি!
একটু বসে যাও আমার পাশে,
কেউ নেই দূরে কাছে, একলা আমি
একটা পোড়া গন্ধ নাকে আসে।
ভীড় নেই আর, নেই কোনো কোলাহল
কান পেতে শুনি কারো পদধ্বনি,
বড় পিপাসা, কেউ দাওনা একটু জল
আমি একলাই তার প্রহর গুনি।
সম্পূর্ণ