| কবিতা | প্রাচীন অভিজ্ঞতা |
| কবি | তাহমীদ চৌধুরী |
| সময় | ১২ জুন ২০২৩ |
| লিখার স্থান | তেজগাঁও, ঢাকা |
| কবিতার বিষয় | প্রেম |
কতশত নীল পৃথিবীতে
আবছা এক ফুল আমিও দেখেছি
সেজেছি মৌ, পাপড়ি চুম্বনকারী মৌ
আবিস্কার করি মানুষই আছি তাও অন্দরে
ধরো ঘটনা বিপরীত তবু শরৎ তো আসবেই
অসুখী দুই ধাতুর মতো আলাদা হয়ে যাওয়া ছাড়া
নিয়তিতে বাঁকি নেই আদতে কিছুই।
নক্ষত্রও কল্পনা করেছি তোমাকে
আর নিজেকে ভেবেছি সেই নাবিক
যে তোমার ইশারায় চলে গভীর অতলান্তিকে
সেখানেও ভোর আসে সময়ের যাত্রী হয়ে
দৃষ্টির অগোচরে চলে যায় তোমার নিশান
দিশেহারা নাবিকের হাহাকার বুকে নিয়ে ঘুমিয়ে যাই প্রত্যহ।
তুমি কি আগুন!
পৃথিবীর সবচেয়ে হিম হৃদয় আমার
তোমার জ্বালানির জোগাড় দেই কাঠ হয়ে
এরুপ ভাবনাতেও ঝুম বৃষ্টি নেমে আসে সহসা
এরপর আমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাই এভাবে
য্যানো পৃথিবীতে বিচ্ছিন্ন শব্দের জন্ম দিয়েছি আমরাই প্রথম; তুমি ধোঁয়া হয়ে মিলাও আমি নাদান ছাই।
গোছালো কিংবা অগোছালো
নীল কিংবা ধূসর
ধরো দিন কিংবা রাত্রি
অভিজ্ঞতায় জেনেছি অরিত্রী
এইসব মিলন মূলত বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রথম ধাপ
কিংবা বহুকাল আগে মানুষ সংগঠিত প্রথম পাপ
হৃদয় চিরকাল বয় অজানায় তার অভিশাপ।