নিশাকালে নদী-তীরে বট-বৃক্ষ-তলে শিব-মন্দির
রাজসূয়-যজ্ঞে যথা রাজাদল চলেরতন-মুকুট শিরে ; আসিছে সঘনেঅগন্য জোনাকীব্রজ, এই তরুতলেপূজিতে রজনী-যোগে বৃষভ-বাহনে।ধূপরূপ পরিমল অদূরসম্পূর্ণ
রসাল ও স্বর্ণলতিকা
রসাল কহিল উচ্চে স্বর্ণলতিকারে;-শুন মোর কথা, ধনি, নিন্দ বিধাতারে।নিদারুণ তিনি অতি;নাহি দয়া তব প্রতি;তেঁই ক্ষুদ্র-কায়াসম্পূর্ণ
সমাধি-লিপি
দাঁড়াও, পথিক-বর, জন্ম যদি তববঙ্গে! তিষ্ঠ ক্ষণকাল! এ সমাধিস্থলে(জননীর কোলে শিশু লভয়ে যেমতিবিরাম) মহীর পদেসম্পূর্ণ
মেঘনাদবধ কাব্য – ষষ্ঠ সর্গ
কুশাসনে ইন্দ্রজিৎ পূজে ইষ্টদেবেনিভৃতে; কৌশিক বস্ত্র,কৌশিক উত্তরি,চন্দনের ফোঁটা ভালে, ফুলমালা গলে।পুড়ে ধূপ দানে ধূপ; জ্বলিছেসম্পূর্ণ
মেঘনাদবধ কাব্য – পঞ্চম সর্গ
কুসুম-শয়নে যথা সুবর্ণ-মন্দিরেবিরাজে বীরেন্দ্র বলী ইন্দ্রজিত,তথাপশিল কূজন-ধ্বনি সে সুখ-সদনে।জাগিলা বীর-কুন্জর কুন্জবন-গীতে।প্রমীলার করপদ্ম করপদ্মে ধরিরথীন্দ্র, মধুরসম্পূর্ণ
মেঘনাদবধ কাব্য – চতুর্থ সর্গ
নমি আমি,কবি-গুরু তব পদাম্বুজে,বাল্মীকি;হে ভারতের শিরঃচূড়ামণি,তব অনুগামী দাস,রাজেন্দ্র-সঙ্গমেদিন যথা যায় দূর তীর্থ দরশনে;তব পদ-চিহ্ন ধ্যানসম্পূর্ণ
মেঘনাদবধ কাব্য – তৃতীয় সর্গ
সম্মুখ সমরে পড়ি, বীর-চূড়ামণিবীরবাহু, চলি যবে গেলা যমপুরেঅকালে, কহ, হে দেবি অমৃতভাষিণি,কোন্ বীরবরে বরি সেনাপতি-পদে,পাঠাইলাসম্পূর্ণ
মেঘনাদবধ কাব্য – দ্বিতীয় সর্গ
অস্তে গেল দিনমণি; আইলা গোধূলি,—একটি রতন ভালে। ফুটিলা কুমুদী;মুদিলা সরসে আঁখি বিরসবদনানলিনী; কূজনি পাখী পশিলসম্পূর্ণ
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে। করুণার সিন্ধু তুমি, সেই জানে মনে, দীন যে, দীনের বন্ধুসম্পূর্ণ