নির্জন স্বাক্ষর
তুমি তা জানো না কিছু, না জানিলে-আমার সকল গান তবুও তোমারে লক্ষ্য করে!যখন ঝরিয়া যাবসম্পূর্ণ
তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও
তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও — আমি এই বাংলার পারের’য়ে যাব; দেখিব কাঁঠালপাতা ঝরিতেছে ভোরেরসম্পূর্ণ
তোমায় আমি দেখেছিলাম
তোমায় আমি দেখেছিলাম ঢেরশাদা কালো রঙ্গের সাগরেরকিনারে এক দেশেরাতের শেষে–দিনের বেলার শেষে। এখন তোমায় দেখিসম্পূর্ণ
তোমার বুকের থেকে একদিন
তোমার বুকের থেকে একদিন চলে যাবে তোমার সন্তানবাংলার বুক ছেড়ে চলে যাবে; যে ইঙ্গিতে নক্ষত্রওসম্পূর্ণ
দাও-দাও সূর্যকে জাগিয়ে দাও
দাও-দাও সূর্যকে জাগিয়ে দাওহে দিন, জ্বালাও তুমি আলো।যখন নির্বাণ ছিলো- কোনো দিকে জ্যোতিষ্ক ছিলো না,যখনসম্পূর্ণ
তবু তাহা ভুল জানি
তবু তাহা ভুল জানি — রাজবল্লভের কীর্তি ভাঙে কীর্তিনাশা:তবুও পদ্মার রূপ একুশরত্নের চেয়ে আরো ঢেরসম্পূর্ণ
দূর পৃথিবীর গন্ধে ভরে ওঠে
দূর পৃথিবীর গন্ধে ভরে ওঠে আমার এ বাঙালির মনআজ রাতে; একদিন মৃত্যু এসে যদি দূরসম্পূর্ণ
তবুও পায়ের চিহ্ন
ঘড়ির দুইটি ছোটো কালো হাত ধীরেআমাদের দু’জনকে নিতে চায় সেই শব্দহীন মাটি ঘাসেসাহস সংকল্প প্রেমসম্পূর্ণ
তুমি কেন বহু দূরে
তুমি কেন বহু দূরে — ঢের দূর — আরো দূরে — নক্ষত্রের অস্পষ্ট আকাশতুমি কেনসম্পূর্ণ