তুমি হাতখানি রাখো
প্রিয়তমা, তুমি হাতখানি রাখো আমার গুমোট বুকে।শুনতে পাচ্ছো শব্দ? কে যেনো হাতুড়ি ঠুকে চলছে?সেখানে একসম্পূর্ণ
প্রিয়তমা, তুমি হাতখানি রাখো আমার গুমোট বুকে।শুনতে পাচ্ছো শব্দ? কে যেনো হাতুড়ি ঠুকে চলছে?সেখানে একসম্পূর্ণ
আগাছা ছাড়াই, আল বাঁধি, জমি চষি, মই দিই,বীজ বুনি, নিড়োই, দিনের পরদিন চোখ ফেলে রাখিসম্পূর্ণ
তুমি ভাঙতে পারো বুক শুষে নিতে পারো সব রক্ত ও লবণবিষাক্ত করতে পারো ঘুম স্বপ্নময়সম্পূর্ণ
অজস্র জন্ম ধরেআমি তোমার দিকে আসছিকিন্তু পৌঁছুতে পারছি না।তোমার দিকে আসতে আসতেআমার এক একটা দীর্ঘসম্পূর্ণ
বড়ো থেকে বড়ো বৃত্তে পাক খেতে খেতেবাজ শুনতে পায় না বাজের প্রভুকে;সবকিছু ধ’সে পড়ে; কেন্দ্রসম্পূর্ণ
খুব ভালো চমৎকার লাগছে লিলিআন,মুহুর্মুহু বিস্ফোরণে হবো না চৌচির।তরঙ্গে তরঙ্গে ভ্রষ্ট অন্ধ জলযানএখন চলবে জলেসম্পূর্ণ
ফুলেরা জানতো যদি আমার হৃদয়ক্ষতবিক্ষত কতোখানি,অঝোরে ঝরতো তাদের চোখের জলআমার কষ্ট আপন কষ্ট মানি ।সম্পূর্ণ
শেকলে বাঁধা শ্যামল রূপসী, তুমি-আমি, দুর্বিনীত দাসদাসী-একই শেকলে বাঁধা প’ড়ে আছি শতাব্দীর পর শতাব্দী।আমাদের ঘিরেসম্পূর্ণ
একপাশে শূন্যতার খোলা, অন্যপাশে মৃত্যুর ঢাকনা,প’ড়ে আছে কালো জলে নিরর্থক ঝিনুক।অন্ধ ঝিনুকের মধ্যে অনিচ্ছায় ঢুকেসম্পূর্ণ
আমি সম্ভবত খুব ছোট্ট কিছুর জন্য মারা যাবোছোট ঘাসফুলের জন্যেএকটি টলোমলো শিশিরবিন্দুর জন্যেআমি হয়তো মারাসম্পূর্ণ
আমি জানি সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে।নষ্টদের দানবমুঠোতে ধরা পড়বে মানবিকসব সংঘ-পরিষদ; চলে যাবে, অত্যন্তসম্পূর্ণ
যখন আমরা বসি মুখোমুখি, আমাদের দশটি আঙুল হৃৎপিন্ডের মতো কাঁপতে থাকেদশটি আঙুলে, আমাদের ঠোঁটের গোলাপসম্পূর্ণ